আতিকুজ্জামান চঞ্চল, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার সদর আকুন্দবাড়িয়ায় প্রেমের কারণে হত্যা করা হয়েছে মোমিন হোসেনকে । বৃহস্পতিবার রাতে গলা কেটে হত্যার পর লাশ গুম করতে নদীতে ফেলে কচুরিপানার নিচে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি ঘাতক প্রেমিক সাফায়েতের।শুক্রবার (৩ মে) রাতে মোমিন হোসেন ( ২২) মরদেহ মাথাভাঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
নিহত যুবকের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের দিলু মন্ডলের ছেলে মোমিন হোসেন (২২)।
নিহতের দাদা আসমান আলী জানান, ‘বৃহস্পতিবার রাতে নিখোঁজ হন মোমিন পরে শুক্রবার সকালে মোমিনের রক্তমাখা জুতা মাথাভাঙ্গা নদীর ধার থেকে উদ্ধার হয়। মোমিনের সন্ধান জানতে তার বন্ধু সাফায়েতকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে মোমিন ঢাকায় চলে গেছে। তার কথা আমাদের সন্দেহ জনক মনে হলে আমরা পুলিশকে খবর দিই।’
এঘটনার ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খাঁন জানান,স্থানীয় জনগণের তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে সন্দেহভাজন সাফায়েতকে আমরা আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে সে তার বন্ধু হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে খুনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মোমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এব্যাপারে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সাফায়েত স্বীকার করে গ্রামের এক স্কুলছাত্রীকে দুই বন্ধুর ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে বিবাদ দেখা দেয়। এই বিবাদের কারণে সাফায়েত মোমিনকে খুনের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মাফিক বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে মোমিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে জবাই করে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য মাথাভাঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।