শিরোনাম :
সুইজারল্যান্ডে তীব্র তাপপ্রবাহ, এক বছরে গলেছে ৫ শতাংশের বেশি হিমবাহের বরফ ট্রাম্প প্রশাসনে আড়াই লাখের বেশি ভিসা বাতিল, এইচ-১বি ফি ফের স্থগিত মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, ওআইসি ও আরব দেশগুলোর নিন্দা কক্সবাজার-পেনাং সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে এয়ার এশিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মানবাধিকারসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে ব্রাসেলসে মতবিনিময় পাচার হওয়া প্রায় ৭৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধের আদেশ প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বেগ, সংকুচিত হতে পারে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার-২০২৬-এর মনোনয়ন পেলেন শেরপুরের জয়া বণিক শিক্ষার অধিকার ও মানবাধিকার নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইউরোপের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আলোচনা ফেরদৌসী আহমেদের পদত্যাগ, শূন্য সংরক্ষিত নারী আসন

হাতিয়ায় বাল্য বিবাহ বন্ধ করায় মাদরাসা শিক্ষক গাছে বেঁধে নির্যাতন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

আসাদুজ্জামান চৌধুরী কাজল: নোয়াখালীর হাতিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করায় এক মাদরাসা শিক্ষক ও মসজিদের ইমামকে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় মাদরাসা শিক্ষক তারিফুল মাওলানাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত ইমাম মিনহাজুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হাতিয়ার দুর্গম চর ১নং হরণি ইউনিয়নের পূর্ব রসুলপুর গ্রামের ‘পুলিশের দোকান’ নামক সংলগ্ন সাবের আহম্মদের বড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ-আলম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান শিকদার বিষয়টি স্বীকার করেন। নির্যাতনের শিকার হওয়া মাদরাসা শিক্ষক তারিকুল মাওলা এ ব্যাপারে হাতিয়া থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি হাতিয়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে।

মাদরাসা শিক্ষক তারিফুল মাওলা জানান, ২০১৮ সালে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রত্যেক উপজেলায় দু’টি করে ইবতেদায়ী মাদরাসা স্থাপন করেন। তার একটি হাতিয়ার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের ১নং হরণি ইউনিয়নের পূর্ব রসুলপুরে স্থাপন করা হয়। দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসা নামে ওই মাদরাসায় তিনি শিক্ষকতা করেন। তার মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী পূর্ব রসুলপুর গ্রামের সাবের আহম্মদের ১৩ বছরের মেয়ে নাজমা আক্তারের সাথে স্থানীয় এক রাজমিস্ত্রিও সঙ্গে বিবাহের আয়োজন করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ওই দিন (২৯ জানুয়ারি) তিনি ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানান। নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে মেয়েটির বিয়ে বন্ধ হয়ে যায়।

ওই দিন বিকেলে মাদরাসা শিক্ষক তারকিুল মাওলা এবং স্থানীয় পূর্ব রসুলপুর জামে মসজিদের ইমাম মিনহাজুল ইসলাম এক সাথে হাতিয়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পূর্ব রসুল গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে আবদুল কাদের, আবদুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ আলী মহব্বত, আবদুল জিলানীর ছেলে এনায়েত হোসেন বেচু, সমির উদ্দিন, বাবলু ও কালামসহ ১০-১২ জন সন্ত্রাসী তাদের উপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা তাদেরকে ওই শিক্ষার্থী নাজমা আক্তারের বাড়িতে নিয়ে দুজনকে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করে। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও টর্সলাইটসহ টাকা পয়সা নিয়ে যায়। পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক তিনটি স্টাম্প ও দুটি নীল কাগজে স্বাক্ষর নেয়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ-আলম বলেন,‘বিষয়টি আমি অবগত আছি। মামলা করতে বলেছি। হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে আলাপকালে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান শিকদার শুক্রবার বলেন,‘আমরা ওই ঘটনায় মামলা নিচ্ছি। ভিকটম আসার পর তাকে লিখিতভাবে অভিযোগ দিতে বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD