এম.এ.বারী,বরগুনা জেলা প্রতিনিধি: বরগুনার অলি গলিতে গড়ে উঠেছে স্কুলের নামে কোচিং বানিজ্য। সরকারী স্কুলগুলোতেও শিক্ষকগন বাধ্যতামূলক করেছে বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়া।
সরজমিনে দেখা যায় যে, কোন কোন স্কুলে ক্লাস শেষে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। সেক্ষেএে শিক্ষার্থীরা ব্যাগ ছাড়াই বাড়ী ফেরে এবং স্কুলে কোচিং এর জন্য পূনরায় ফিরে আসে। কিছু স্কুলে ডে ও নাইট সিফ্ট চালু করেছে।
অভিভাবকদের সাথে আলাপ করে জানা যায় যে, প্রতি ব্যাচে ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে কোচিং করান শিক্ষকগন। প্রতি বিষয়ে ১০০০/১৫০০ টাকা করে বেতন দিতে হয়। এক্ষেএে তারা অভিযোগ করেন যে, ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুর্বল শিক্ষার্থী তেমন কিছুই শিখতে পারেনা।
যে সকল পরিবারে ২/৩ জন শিক্ষার্থী স্কুলে যায় সে সকল পরিবারের মধ্যে দেখা দিয়াছে চরম হতাশা। স্কুলের বিধি মানতে গিয়ে আর্থিক দৈন্যে দিন কাটাচ্ছে নিন্মবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ।
স্থানীয়দের আহাযারি যে, শিক্ষামন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা সত্তে¡ও সদর্পে চলছে শিক্ষা বানিজ্য। বেআইনি এসব কার্যকলাপ দেখার যেন কেউ নেই।