শিরোনাম :
কক্সবাজারে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রোগ্রামিং এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিকল্প নেই :ফকির মাহবুব আনাম দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে তরুণদের হাত ধরেই : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’-এই প্রতিপাদ্যর আলোকে নাগরিক সংলাপ  ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ৫৭তম বিজিবি–বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন চবিতে স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন সেন্টার উদ্বোধন; দেশের সুনীল অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ধনী তোষণের বাজেট নয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিতে বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ জনকল্যাণমুখী বাজেট চাই বাজেটে সামাজিক সুরক্ষায় জোর, ৪১ লাখ নারীর জন্য ফ্যামিলি কার্ড মারা গেলেন থাইল্যান্ডের রাজকুমারী বজরাকিতিয়াভা চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের নতুন রূপরেখা

‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’-এই প্রতিপাদ্যর আলোকে নাগরিক সংলাপ 

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

১৩ জুন ২০২৬, সকাল ১১.০০ টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তন ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’-এই প্রতিপাদ্যর আলোকে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা।

উক্ত নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, এমপি।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের সাবেক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ এবং গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী।

সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কলামিষ্ট  ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাষ্টি মফিদুল হক। উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, ডিএমপি, ঢাকা এর উপ-পুলিশ কমিশনার  মোছাঃ লিজা বেগম, পিএসসি; , বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও  প্রধান সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন মজুমদার; উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, ডিএমপি, ঢাকা এর উপ-পুলিশ কমিশনার  মোছাঃ লিজা বেগম, পিএসসি; ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগএ  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক; বি-স্ক্যানের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সালমা মাহবুব; বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের কোষাধ্যক্ষ মেইনথিন প্রমীলা;

মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের সেলিনা পারভীন; বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের জাতীয় পরিষদ সদস্য মাকসুদা আখতার লাইলী; কর্মজীবী নারীর হাসিনা আক্তার,  বাংলাদেশ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, এমপি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ভালো আইন আছে।  তবে আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে এবং মানসিকতার সমস্যা রয়েছে। আইনের প্রয়োগ ও চর্চা ঠিকমত হতে হবে। নীতি নৈতিকতা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।  নারী ও শিশুদের অধিকার বাস্তবায়নে আইনজীবীদের ভূমিকা আছে। তিনি এসময় বলেন, নারীর অধিকার ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে  কিশোর কিশোরীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কিশোর –কিশোরী ক্লাবের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। আইনের প্রয়োগ ও ব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কাজের পাশাপাশি অর্ন্তভ’ক্তিমূলক সমাজ তৈরিতে নারী  ও শিশুদের অধিকর সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রচারকার্য চালাতে হবে। নারী  ও শিশুর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সকলের প্রচেষ্টা স্বত্তেও সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই সমস্যা সমাজের অনেক গভীরে। সমস্যার প্রতিকারে ফরেনসিক বিভাগকে আরও আধুনিকায়ন করতে হবে; ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে; সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে শক্তিশালী ভ’মিকা পালন করতে হবে; মাদক নির্মূল করতে হবে। প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিতে বর্তমান সরকার  সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে  কাজ করবে। ২০২৫ এ নারীর প্রতি সহিংসতা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। সরকার মাদক ও সহিংসতা নির্মূলে শূন্যসহিষ্ণুতাার নীতি গ্রহণ করলেও এদেশে বিচার বিলম্ব একটি বড় সমস্যা। তিনি বিভাগীয় পর্যায়ে ডিএনএ ল্যাব এবং দেশের ৩৭ টি মেডিকেল কলেজে এবং পরবর্তী ধাপে প্রতিটি জেলাতে ওসিসি এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বলে জানান। তিনি নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে সকলের একসাথে কাজ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের সাবেক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ বলেন, সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে নারীকে সমঅধিকার দেয়া হয়েছে । কিন্তু অনুচ্ছেদ ৪১ এ অধিকারকে সীমাবদ্ধ করে।
শিশু জন্মের পর বৈষম্য শুরু হয় ধর্মীয় আচার পালনের মধ্য দিয়ে। শিশু পরিবারে বড় হয় , পরে সে সহিংসতায় যুক্ত হয়।একটি নির্যাতন হয়, মিডিয়া কাভারেজ হয়, আন্দোলন হয়, রাষ্ট্র পদক্ষেপ নেয়- এই আমাদের সামাজিক অবস্থান।  ধর্ষণের ঘটনায় বাংলাদেশে আইন যথেষ্ট আছে। এই আইনের সঠিক প্রয়োগ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, নারীর অধিকার খর্ব করার ক্ষেত্রে এখনো পরিবারগুলোতে ধর্মকে ব্যবহার করা হয়। সাইবার বুলিং বাড়ছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সহিংসতার বিরুদ্ধে কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD