বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল, পর্যটন এবং হজ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ হ্রাস এবং আবাসন সুবিধা পুনর্বহালের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ ইবন ধাফের ইবন উবাইয়া।
সাক্ষাতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, সৌদি সরকারের আরোপিত হজ ফ্লাইট-সংক্রান্ত কর ও চার্জ কমানো গেলে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় অনেকটাই কমে আসবে। তিনি এ বিষয়ে সৌদি সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
এর জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত জানান, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সৌদি সরকার আন্তরিক থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বৈঠকে বলেন, ক্যাটেগরি-ডি আবাসন সুবিধা না থাকায় বাংলাদেশি হজযাত্রীদের আবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তিনি বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বার্থে এ সুবিধা পুনর্বহালে সৌদি কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করা, তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং হজের ব্যয় সহনীয় রাখতে সৌদি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে হজ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ককে আরও সুসংহত করা এবং হজ, বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সূত্র: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়