শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

সৌদি আরব ও লেবানন ফেরত নারীরা পরিবার থেকেও প্রত্যাখ্যাত হচ্ছেন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১৮

জার্মান-বাংলা টুয়েন্টিফোর রিপোর্ট : নির্যাতন সইতে না পেরে সৌদি আরব ও লেবানন থেকে ফিরে আসা নারী গৃহকর্মীরা অনেকে দুই কূলই হারিয়েছেন। আর্থিকভাবে পরিবারে সচ্ছলতা আনতে প্রবাসে গিয়ে একদিকে মান সন্মান খুইয়েছেন, অন্যদিকে দেশে ফিরে হারিয়েছেন সাজানো সংসার। আবার অনেকে পরিবার থেকেও প্রত্যাখ্যাত হচ্ছেন।

পত্র-পত্রিকায় পাশবিক নির্যাতনের খবর জেনে এসব নারীর প্রতি অবজ্ঞা ও অবহেলা জন্মেছে পরিবারের অনেকের। ফলে তাদের স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারছেন না তারা। উপায়ন্তর না পেয়ে অনেকে গার্মেন্টে কাজ নিয়েছেন, মেসে থেকে অমানবিক জীবন যাপন করছেন।

এয়ার এরাবিয়ার একটি ফ্লাইটে গত ২০ মে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ইয়াসমিন (ছদ্মনাম)। হবিগঞ্জ থেকে স্বামীর আসার কথা ছিল। স্বামী আলম মিয়ার সঙ্গে এক বছর পর দেখা হবে, আনন্দে বিভোর ইয়াসমিন। স্বামীর অপেক্ষায় বিমানবন্দর টার্মিনালে রাত কাটান তিনি। কিন্তু স্বামীর দেখা আর মেলেনি। সকালে এক আত্মীয়কে ফোন করে জানতে পারেন স্বামী তাকে নিয়ে আর সংসার করতে চান না। মোবাইল ফোনে এমন কথা শোনার পর হতভম্ব হয়ে পড়েন ইয়াসমিন।

ইয়াসমিন বলেন, তখন একবার আত্মহত্যার কথা ভাবি, পরে আবার চিন্তা করি কার জন্য আত্মহত্যা করব। বিয়ের সময় দিনমজুর বাবার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকার যৌতুক নিয়েছে সে।

বর্তমানে মোল্লারটেক এলাকায় গার্মেন্ট কর্মীদের রান্না-বান্নার কাজ করেন ইয়াসমিন। তার সঙ্গে সৌদি ফেরত আসা আরেক নারীকর্মী রুখসানা বেগম ওই এলাকার হো ইয়ং বিডি গার্মেন্টে কাজ করেন। চাইনিজ এই কোম্পানিতে ইয়াসমিনেরও চাকরি হওয়ার কথা। যদি চাকরি পান তবে সব ভুলে এখানেই বাকি জীবন কাটাবেন বলে জানান তিনি।

লেবানন থেকে ছয় মাস আগে ফিরে আসেন আকলিমা। তিনিও পরিবারের বাইরে। শনিরআখড়ায় এক স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

সৌদি ও লেবাননের কর্মক্ষেত্রে মজুরি থেকে বঞ্চিত হওয়া, যৌন ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ১২০ জন ফেরত এসেছেন গত মে মাসে।

এ বিষয়ে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরীফুল হাসান বলেন, প্রবাসী নারীদেরও দেশের নারীদের মতো সম্মান নিশ্চিত না করে সৌদিতে নারী শ্রমিক পাঠানো উচিত নয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD