শিরোনাম :
সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৩ হাজারের বেশি বিদেশি আটক রাখাইনে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ৩৩ চীনের নতুন ধরনের ব্যাটারি শিল্পের উন্নয়নে সাত বিভাগের যৌথ পরিকল্পনা বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে এআইআইবি বৈশ্বিক সংঘাত ও বৈষম্য মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান হান চেংয়ের কৃষি ও বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমবার কক্ষপথে স্টারশিপ, সমুদ্রে বিধ্বস্ত রকেট ভ্যাট রিটার্ন জমায় নতুন নিয়ম, প্রতি কর মেয়াদে ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল বোয়িং কেনায় ‘গোপন এজেন্ডা নেই’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত আইরিন খানের

সোনাডাঙ্গায় জোড়া খুনের কোন রহস্য খুজে পাইনি পুলিশ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৯

রাইসুল আলম রবিন,খুলনা প্রতিনিধি: খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন পাইকারী কাঁচাবাজার এলাকায় জোড়া হত্যাকান্ডের কোনো সন্ধান উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। তবে, হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই ও সিআইডি মাঠে নেমেছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট এবং তিন সংস্থার যৌথ তদন্তে ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছে পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার রাতে নগরীর সোনাডাঙ্গা পাইকারী কাঁচাবাজার সংলগ্ন সাবেক বিডিআর সদস্য ইদ্রিস আলীর বাসা থেকে মেহেদী হাসান (১৭) ও মোঃ আক্তার হোসেনের (৪৫) গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে, শনিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটকও করতে পারেনি।

নিহত মেহেদী হাসান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন হাসানবাগ এলাকার বাসিন্দা কবির হোসেনের ছেলে এবং মোঃ আক্তার হোসেন ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলা সদরের মো. শামসুদ্দিন ম-লের ছেলে। আক্তার হোসেন সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের একটি লেদ কারখানার মিস্ত্রি ছিলেন। দু’ জনেই সোনাডাঙ্গা পাইকারী কাঁচাবাজার সংলগ্ন সাবেক বিডিআর সদস্য ইদ্রিস আলীর বাসার ভাড়াটিয়া ছিল।
এলাকাবাসী জানায়, সোনাডাঙ্গা কাঁচাবাজারের পাশে লেদ মেশিনের কারখানা রয়েছে নিহত আকতারের। তার সাথে হেলপার হিসেবে কাজ করেন কিশোর মেহেদী হাসান। শুক্রবার রাতে ঘরের আঁড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় একজনের ও খাটে লেপ দিয়ে ঢেকে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় অপরজনের মরদেহ পাওয়া যায়। এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। তবে কি কারণে এই হত্যাকা- জানাতে পারেননি স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, একই ঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া দু’টি মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়া হত্যা রহস্য এখনো উদ্ঘাটন না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্নেরও জন্ম হচ্ছে।

পুলিশের সূত্র বলছেন, হত্যার রহস্য এখনও স্পষ্ট নয়। নিহত দু’জনের পক্ষে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। যার কারণে কোনো মামলাও হয়নি। যে বাসায় মৃতদেহ দুটি পাওয়া গেছে সেখানে বাইরের কোনো লোক ঢোকেনি, এমনটাই প্রাথমিকভাবে পাওয়া গেছে। ময়না তদন্ত চলছে। প্রতিবেদন পাওয়া গেলেই বোঝা যাবে।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মমতাজুল হক বলেন, নিহতদের গলায় গামছা ও রশি দিয়ে ফাঁস লাগানো ছিলো। প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকা-ের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের দু’জনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। কাউকে আটকও করা সম্ভব হয়নি। তিনি প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, শ্রমিক মেহেদীকে কোনো কারণবশত লেদ কারখানার মালিক আক্তার হত্যা করতে পারেন। পরে অনুশোচনা বা ধরা পড়ার ভয়ে তিনি নিজেও আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে, ঘটনার ক্লু উদঘাটনে পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই ও সিআইডি কাজ করছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট এবং তিন সংস্থার যৌথ তদন্তে ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন তিনি। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক জানান, দুই শ্রমিকের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার নিহত মেহেদী হাসানের চাচা মোঃ আজম বাদী হয়ে আজ্ঞাতনামা করে দ-বিধির ৩০২/৩৪ ধারায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (নং-৩২, তারিখ ১৯/১/১৯)।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD