আরিফুজ্জামান আরিফ,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: শার্শার সেতাই এসিআই মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের ছয় রুম বিশিষ্ট ৪তলা ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম তাই দায় সারা চলছে ভবন নির্মানের কাজ বলে উঠেছে নানা অভিযোগ।আবার অনেকে বলছেন, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে তিনি ঠিকাদারের সাথে হাত মিলিয়ে ভবন নির্মাণের কাজে অনিয়ম ও দায়সারা করতে উঠে পড়ে লেগেছেন। আর তার এই অনিয়মের কাজে কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে হতে হচ্ছে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত।ফলে এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়টির অভিভাবক মহলে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, যশোরের শার্শার সেতাই গ্রামেরবআলহাজ্ব আব্দুর রহমান ফকিরের ছেলে সেতাই এসিআই মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ হয়ে আসা ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা থেকে মোটা অংকের টাকা নয় ছয় করে হাতিয়ে নিতে ঠিকাদারের সাথে হাত মিলিয়ে ভবন নির্মাণের কাজে ব্যাপক অনিয়ম করে চলেছেন। বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কাজে চলছে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট, বালু, সিমেন্টের ব্যবহার। নির্মানাধীন পিলার সামান্য ধাক্কায় পড়ছে খঁসে।কারন সিমেন্টের চাইতে বেশী বালি মিশ্রন করে করা হয়েছে সমস্ত ঢালাই কাজ।
সিডিউলের কোন নিয়ম নীতি না মেনে সিমেন্টের থেকে বালুর পরিমান বেশী ব্যবহার হচ্ছে ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দকৃত এই বিদ্যালয়ের নির্মাণধীন ভবনের নির্মান কাজ।ফলে মোটা অংকের টাকায় নির্মানাধীন ভবন নির্মানে প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের এহেন অনিয়ম ও দূর্নীতির কাজে এলাকাবাসী ও অভিভাবক মহলে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্ট হয়েছে। ফুঁসে উঠেছে এলাকার সচেতন মহল।
আর এ চরম ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে গত শনিবার। এলাকাবাসী তার এহেন কাজের প্রতিবাদ করতে গেলে
(শনিবার দুপুরে) প্রধান শিক্ষকের সাথে এলাকাবাসীর বাকবিতন্ডের সৃষ্টি হয়। এসময় প্রধান শিক্ষক একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় প্রভাব বিস্তার করে তার নিজের ভাই কামরুজ্জামান টুটুল সহ ১০/১২ জন মোবাইল করে ডেকে নিয়ে প্রতিবাদ করতে আসা এলাকাবাসী উপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। এসময় হামলার স্বীকার হন উপজেলারর একই (সেতাই) গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিন গাজির ছেলে জোহর আলী। এসময় জোহর আলী গুরুত্বর আহত হয়। ফলে অন্যান্যরা আর প্রতিবাদ করতে সাহস পায়নি।
এব্যাপারে সেতাই এসিআই মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের মুঠো ফোনে বার বার যোগাযোগ করে কথা বলার চেষ্টা করলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম হাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে এখম জানলাম। এলাকাবাসী এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলে আরো বেশী কার্যকারী হবে।তারপরও বিষয়টির তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।