যশোরের জেলা প্রশাসক ( ডিসি) মো. আজাহারুল ইসলাম বলেছেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আর এই শিশুদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে আমরা সুন্দর একটা জাতি পাব। তাই শিক্ষার্থীদের সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়ার মান ঠিক রেখে নিরাপদে রাখতে হবে।
আর সুন্দর জাতি পেতে হলে আজকের এই শিশু শিক্ষার্থীদের শরীর মন মনন ঠিক রাখতে হবে।
ছেলে-মেয়েদের অভিভাবক এবং শিক্ষকদের সচেতন থাকতে হবে তারা যেন ভুল পথে না যায়। মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে হবে।
যশোরের অভয়নগর থেকে শিক্ষার্থীরা কক্সবাজারে শিক্ষা সফর শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় হাতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এগুলি খুবই বেদনাদায়ক। শিক্ষকদের মাথায় রাখতে হবে এরকমের ঘটনা থেকে কিভাবে বিরত থাকা যায় তার জন্য দরকার সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রিজন্স পাবলিক স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বেলা ১২টায় স্কুলটির মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রিজন্স পাবলিক স্কুলের প্রিন্সিপাল ( ডেপুটি জেলার) আফরোজা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার নুরশেদ আহমেদ ভূঁইয়া, প্রতিষ্ঠানটির হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা.এস এম মাহাবুবুর রহমান, জেলার মো. শরিফুল আলম ও শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।
এ সময় জেল সুপার নুরশেদ আলম বলেন , যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রিজন্স পাবলিক স্কুলটি ১৯৭৯ সালে ১.৩৪ শতক জমির পরে স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়টিতে শিশু শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ২৩০ জন। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে নানা সমস্যার জর্জরিত এই স্কুলটি। অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়নি, টয়লেটের অবস্থা নাজুক, মেয়েদের কমান রুম নেই, বৃষ্টি হলে ক্লাস রুমে পানি ঢুকে যায়, শিক্ষকদের কমান রুম নেই, প্রধান শিক্ষকের আলাদা রুম এবং শ্রেণি শিক্ষকদের আলাদা রুম নেই। তাই জেলা প্রশাসকের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম সাধ্য অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।