রাজশাহীর মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র গোলাম রাব্বানী জেলা প্রশাসকের ত্রাণের খাদ্য সামগ্রী নিয়ে কারশাজি করার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে অত্র পৌরসভার ছয়জন কাউন্সিলর মিলে মেয়রের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর এ ধরনের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গত বুধবার প্যানেল মেয়র আমির হোসেন আমিন, কাউন্সিলর ফিরোজ কবির ,নাহিদ হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, ইসমোতারা বেগম, মন্টু কাউন্সিলর সহ তারা সকলে মেয়রের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে মহামারি করোনায় বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার মানবতার অনুদান তহবিলের ত্রাণ হতে, জেলা প্রশাসকের কাছে, মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র গোলাম রাব্বানী খাদ্য সামগ্রী সাহায্যের আবেদন করেন। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মেয়রকে জেলা প্রশাসক ত্রাণের যে খাদ্যগুলি দিয়েছেন।সে গুলি সকল কাউন্সিলরদের দিয়ে প্রকৃত কর্মহীন নাগরিকদের মাঝে সমান ভাবে বন্টন করার কথা বলেন? কিন্তু মেয়র রাব্বানী তা না করে, নিজের ইচ্ছায় প্রত্যেক ওয়ার্ডের নাগরিকদের কাছ থেকে অগ্রীম আইডি কার্ড সংগ্রহ করেন। আর সে আইডি কার্ডের ত্রাণ গুলি মেয়র তার ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর আর পাচু নেতাদের দ্বারা বিতরণ করছে বলে স্থানীয় ভাবে গোপন সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে বিভিন্ন অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে তানোর পৌরসভা, কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ তাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত অসহায় কর্মহীনদের আড়াল করে,তাদের পছন্দের লোকদের তালিকা করে দেওয়ার বার বার অভিযোগ উঠছে? এছাড়া জানা গেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর আদেশও তারা অমান্য করছে? তাদের ধরনের কার্যক্রম করাতে শেখ হাসিনার মান ক্ষুর্ন হচ্ছে বলে মাঠ পর্যায়ে তাদের বিরুদ্ধে সাধারন জনগন যেন আবার ফুঁসে উঠছে। তাদের বিরুদ্ধে অসহায় কর্মহীনরা সঠিক তালিকা না করার কারনে দিন দিন প্রতিবাদী হয়ে উঠতে পারে। সে কারনে অত্র এলাকার কিছু সচেতন নাগরিকেরা জার্মান বাংলা টোয়েন্টিফোরকে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন জরুরী ব্যবস্থা গ্রহন করা দরকার।
অপরদিকে জানা গেছে কামারগাঁ ইউপির চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসন্তী রানী নামের এক হিন্দু নারী বলেন চেয়ারম্যান, মেম্বার তারা তো চকিদারকে দিয়ে আমার আইডি কার্ড নিয়েছে? কিন্তু আজকে পরিষদে খাদ্য দেয়া হয়েছে? তাতে আমার নাম নাই আমি এখন কার কাছে বলবো? সেই নারী বলেন তারা শুধু নিজের লোকদেরকে সেই খাদ্য সামগ্রী গুলি বিতরণ করছেন এবং নিজে রাও ভাগ বাটোয়ারা করছে। যারা মধ্যবিত্ত তারা তো অনেক কষ্টে আছে, কষ্টে থাকলেও কাউকে বলতে পারে না, তাই সব ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই নাগরিকেরা।প্রশাসনের উচ্চ মহলের কাছে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবি করেন এলাকাবাসি।