শিরোনাম :
ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ফেনীতে ২ কোটি ১৩ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি ধানমন্ডি লেককে কোনোভাবেই বাণিজ্যিক এলাকা হতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক হবিগঞ্জের মাধবপুরে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত; উদ্ধার সহায়তা করছে বিজিবি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আইন মানলে পরিবর্তন হবে দেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হরমুজ অচল, আরব অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা: জাতিসংঘের সতর্কবার্তা মার্কিন-ইরান উত্তেজনায় ন্যাটোতে ফাটল, জোট পুনর্বিবেচনার হুঁশিয়ারি ওয়াশিংটনের বৈশ্বিক ডেটা ব্যবস্থাপনায় নতুন প্ল্যাটফর্ম ডব্লিউডিও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখার তাগিদ বেইজিংয়ের

মামলার জটে শূন্য ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদ: প্রাথমিক শিক্ষায় সংকট

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, একটি মামলার কারণে সারা দেশে প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। এর ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত “প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অংশীজনের ভূমিকা” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

উপদেষ্টা বলেন, “একটি মামলার জন্য আমাদের ৩২ হাজার স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষক ছাড়া একটি স্কুল কীভাবে চলবে? আবার সহকারী শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে কোনো পদোন্নতি ছাড়াই শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন, আমরা তাদের প্রমোশন দিতে পারছি না। যদি এই ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য হতো, তাহলে ৩২ হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতো। শুধুমাত্র একটি মামলার কারণে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, সরকার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রসঙ্গে অধ্যাপক বিধান রঞ্জন বলেন, সফল স্কুলগুলোর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে অন্যান্য বিদ্যালয় নিজেদের উন্নত করতে পারে। শিক্ষাকে শিশুদের কাছে আনন্দদায়ক করতে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি শিক্ষকদের সাংগঠনিক ও একাডেমিক নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেদের হাজারো শিক্ষার্থীর আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “একটি স্কুলই হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট। জেলা অফিস, উপজেলা অফিস, অধিদপ্তর কিংবা মন্ত্রণালয়—এসব স্তরের কাজ মূলত সমন্বয় ও সহযোগিতা করা। প্রকৃত কাজটি পরিচালিত হয় স্কুলে, আর সেই স্কুলের নেতৃত্বে থাকেন প্রধান শিক্ষক।”

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মোহাম্মদ কামরুল হাসান (এনডিসি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মতবিনিময় সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যাণ দেবসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত প্রধান শিক্ষকরা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD