শিরোনাম :
নিউইয়র্কে ‘উইমেন লিডার্স’ প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান বহর আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন চুক্তি, কিনবে ১১ উড়োজাহাজ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম জয় এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যু: মামলায় আসামি মামা কারাগারে কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লবায়ু সংকট মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর কার্যকর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী চীন-মার্কিন সুসম্পর্ক বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে: জরিপ খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় কৃষকদের আয় ও উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

মাদক নিয়ন্ত্রণে হয়রানীর শিকার জীবননগর পৌরবাসী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯

অনিক সিদ্দিকী তন্ময়,জীবননগর(চুয়াডাঙ্গা) খেকে।।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের নামে হয়রানী ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জীবননগর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়,দূর্বল ও অসহায় মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে পুলিশ পকেট ভরাব চেষ্টায় লিপ্ত।মাদক মুক্ত সমাজ এদেশের এদেশের প্রত্যেকটি সচেতন নাগরিকের কাম্য হওয়া সত্তে¡ও পুলিশ এই মাদক বিরোধী অভিযানের নামে লিপ্ত হয়েছে ব্ল্যাকমেলিং কর্মকান্ডে। সারেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মাঠে কর্মরত একজন কৃষক হামিদ মন্ডল(৩৮) কে জিম্মি করে জীবননগর থানা পুলিশের এ.এস.আই মোঃ ইমামুল আদায় করে নেয় ১৮৫০০/=(আঠারো হাজার টাকা)।এমনকি আরও টাকা আদায় করার জন্য তার পরিবার কে চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়।পরিশেষে হামিদ মন্ডলের নামে গাঁজার ব্যবসায় জড়িত খাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলা দেওয়া হয়।হামিদ মন্ডল কালিয়াননগর গ্রামের হযরত মন্ডেলের পুত্র।হামিদ মন্ডলের পরিবার ও পাড়া প্রতিবেশীরা হামিদ মন্ডল গাঁজা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ততার কথা মানতে নারাজ।তারা বলেন,হামিদ মন্ডল এ ব্যবসার সাখে জড়িত নন।

হামিদের স্ত্রী জুলেখা খাতুন অভিযোগ করে বলেন,“আমার স্বামী গাঁজা কিংবা অন্য কোন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নন কিন্তু তা সত্ত্বেও উক্ত এএস আই ইমামুল জোরপূর্বক তাকে গ্রেপ্তার করেন এবং ছেড়ে দেবেন বলে ১০০০০/=(দশ হাজার  টাকা) দাবি করেন।স্বামীর মুক্তির জন্য ধার করে ১০০০০/=(দশহাজার টাকা) উক্ত এ.এস.আইকে প্রদান করেন কিন্তু পরবর্তীতে এএসআই ইমামুল আরও ৮৫০০/=(আট হাজার পাঁচশত) টাকা ওখরচ খরচা বাবদ আরও ১৪০০(একহাজার চারশত টাকা) দাবি করেন এবং বলেন টাকা দিলে গাঁজা সেবনের মামলা অন্যথা না দিলে বিক্রির মামলা হবে।কোন উপায় না পেযে তার চাহিদা অনুযায়ী সম্পূর্ন টাকা এএসআই এর হাতে তুলে দিয় তবুও মুক্তি মেলেনি।”
হামিদ মন্ডর এখন চুয়াডাঙ্গা কারাগারে বন্দি।

এবিষয়ে উক্ত এএসআই ইমামুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD