শিরোনাম :
সুইজারল্যান্ডে তীব্র তাপপ্রবাহ, এক বছরে গলেছে ৫ শতাংশের বেশি হিমবাহের বরফ ট্রাম্প প্রশাসনে আড়াই লাখের বেশি ভিসা বাতিল, এইচ-১বি ফি ফের স্থগিত মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, ওআইসি ও আরব দেশগুলোর নিন্দা কক্সবাজার-পেনাং সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে এয়ার এশিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মানবাধিকারসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে ব্রাসেলসে মতবিনিময় পাচার হওয়া প্রায় ৭৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধের আদেশ প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বেগ, সংকুচিত হতে পারে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার-২০২৬-এর মনোনয়ন পেলেন শেরপুরের জয়া বণিক শিক্ষার অধিকার ও মানবাধিকার নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইউরোপের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আলোচনা ফেরদৌসী আহমেদের পদত্যাগ, শূন্য সংরক্ষিত নারী আসন

মন্ত্রী শূন্য কিশোরগঞ্জ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৭ জানুয়ারী, ২০১৯

রাজীবুল হাসান, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: মন্ত্রীর জেলা কিশোরগঞ্জ এবার পেল না কোন মন্ত্রী। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, একাধিক মন্ত্রী পেয়েছে কিশোরগঞ্জ। পেয়েছে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার পদ।

আওয়ামী লীগের তুলনায় বিএনপি ও জাতীয় পার্টির আমলেও মন্ত্রিত্বশূন্য হয়নি কিশোরগঞ্জ। তবে আওয়ামী লীগ আমলের মতো এত বেশি আলোচনা হয়নি ওই দুটি আমলে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম কিশোরগঞ্জেরই বাসিন্দা।
১৯৭৩ সালের মন্ত্রিসভায় এই জেলার সদস্য ছিলেন দুজন। মনোরঞ্জন ধর ছিলেন আইনমন্ত্রী আর আসাদুজ্জামান খান ছিলেন পাটমন্ত্রী।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম হন রাষ্ট্রপতি। পরে সংসদীয় শাসনব্যবস্থার বদলে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় ফেরার পর তিনি হন শিল্পমন্ত্রী।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর কিশোরগঞ্জ আবার পরিচিত হয়ে ওঠে ‘মন্ত্রীর’ জেলা হিসেবে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পান সে সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান। সৈয়দ নজরুলের পুত্র সদ্য প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম হন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী। বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ হন ডেপুটি স্পিকার।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ আবার সরকারে আসার পর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হন সৈয়দ আশরাফ। পান স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব। ডেপুটি স্পিকার থেকে পদোন্নতি পেয়ে আবদুল হামিদ হন স্পিকার। আর জিল্লুর রহমান হন রাষ্ট্রপতি।

এই সরকারের আমলে ২০১৩ সালে জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর আবদুল হামিদ হন রাষ্ট্রপতি। আর ২০১৪ সালের ভোট শেষে সৈয়দ আশরাফ আবার হন এলজিআরডিমন্ত্রী। আর একটি প্রতিমন্ত্রী পায় জেলাটি। কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির মজিবুল হক চুন্নু হন প্রতিমন্ত্রী।

বিএনপি ও জাপার শাসনামল
আওয়ামী লীগের তুলনায় কম হলেও বিএনপির তিন দফা এবং জাতীয় পার্টিও দুই দফা শাসনামলেও মন্ত্রিত্ব পেয়েছে কিশোরগঞ্জ।

১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলুল করিম হন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখলের পর ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী ছিলেন এম সায়েদুজ্জামান। তবে তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন না।

১৯৮৬ সালের তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত মজিবুল হক চুন্নু পান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।

১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিএনপি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয় সে সময় কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচিত জাহিদুল হককে।

২০০১ সালে সরকার গঠনের পর কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ওসমান ফারুককে বানানো হয় শিক্ষামন্ত্রী।

কিশোরগঞ্জ জেলা আয়াওয়ামী লীগ সহসভাপতি এডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে এ জেলার জনপ্রতিনিধিগণ। সে হিসাবে এইবারই মন্ত্রী পরিষদের তালিকায় নেই কিশোরগঞ্জ জেলার কোন জনপ্রতিনিধি নাম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD