মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মদন ও আটপাড়া উপজেলায় দুই সহোদর চাচাতো বোনসহ তিন শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে মদনে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুকে নিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।
রোববার মদন উপজেলার বাঁশরী কান্দা পাড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ২ বছরের কন্যা শিশু নিবারণ আক্তার বাড়ির পেছনে পুকুরে মৃত্যু হয়। সোমবার সকালে মদন থানার পুলিশ তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে পাঠায়। সে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের বাঁশরী কান্দাপাড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনে কন্যা।
সোমবার সরেজমিনে গ্রামের বাড়িতে গেলে শিশুটির বাবা নিজাম উদ্দিনকে না পেয়ে তার মা মাজেদা আক্তারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার বড় ছেলে পলাশ রোববার দুপুরে বিলে মাছ ধরার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে শিশু নিবারন তার পিছু নেয়। এর পাঁচ মিনিট পরে খবর আসে তার লাশ পুকুরে ভেসে রয়েছে। তবে আমার শিশুটি কি নিজেই পানিতে পড়েছে ? না কেহ পেলে দিয়েছে তা বলতে পারছিনা। এ কারনেই আমার শিশু কন্যার লাশ পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনান মর্গে প্রেরণ করেছেন।
নিহতের চাচা গোলমহাজন জানান, হাওর থেকে বাড়িতে এসে শোনলাম শিশুটি পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। তবে আমার ভাই নিজাম উদ্দিনের গ্রামের আরাধনের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তবে আরাধন আমার সাথে নিজেই সারাদিন হাওরে ধান কাটা অবস্থায় ছিল।
ওসি মোঃ শওকত আলী জানান, নিহত নিবারনের পিতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার তার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনার মর্গে প্রেরণ করা হয়। এ ব্যাপারে মদন থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
নিহত নিবারনের বাবা নিজাম উদ্দিন লাশ নিয়ে নেত্রকোনায় থাকায় তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
অপর দিকে পার্শ্ববর্তী আটপাড়া উপজেলার সুখারি ইউনিয়নের হাতয়িা তারাছা পুর গ্রামের দুই সহোদর চাচাতো বোন জহিরুল হকের কন্যা পাপিয়া আক্তার (৫) ও শহিদুল হকের কন্যা বৈশাখী (৭) বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির সামনের পুকুরে খেলতে গিয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান কুফিল উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন।