শিরোনাম :
ডিসেম্বরে শুরু হচ্ছে বিসিবির ‘ডি থ্রি ট্রফি’: ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে শীর্ষে শরিফুল বিকল্প শিরোনাম ২: মধ্যরাতেই ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’ : সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত ৯ মাসে ১০৯ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার: আইনি দুর্বলতায় থমকে যাচ্ছে মাদ্রাসার বিচারপ্রক্রিয়া চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার

বাজেটে সরকার সাংস্কৃতির অবদানকে অস্বীকার করেছে : উদীচী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৯

জার্মান-বাংলা ডেস্ক:
জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে সংস্কৃতি খাতকে বরাবরের মতোই উপেক্ষা করা হয়েছে। অথচ সরকার নিজেদের সংস্কৃতিবান্ধব বলে দাবি করে। মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ নির্মুলে সারাদেশে সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তার কথা সরকারের দায়িত্বশীল লোকজনই বিভিন্ন সময় বলেছেন। অথচ সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে তাদের কথা বা প্রতিশ্রুতির কোনো প্রতিফলন চোখে পড়েনি। উপরুন্ত গতবারের চেয়ে এবার এ খাতের বরাদ্দ কমেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

বাজেটোত্তর প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি ড. সফিউদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন এসব মন্তব্য করেছেন। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, একটি সমৃদ্ধ জাতি ও সভ্যতা বিনির্মাণে সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন যে প্রভাবক ভূমিকা রাখে, সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ কমিয়ে সরকার সে সত্যকে অস্বীকার করেছে। বাজেটের আকারের সঙ্গে সংস্কৃতি খাতের বরাদ্দ একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অপ্রতুল। অথচ গোটা বাজেটে লুটেরা অর্থনীতিকে উৎসাহিত করতে নানা ধরনের প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধার প্রস্তাব আনা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সংস্কৃতি খাতকে চরম অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে বলে মনে করে উদীচী।

তারা আরো বলেন, মানুষের মনোজগতে দেশাত্ববোধের জাগরণ, প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি, অসাম্প্রদায়িক মনোভাব সৃষ্টি এবং কল্যাণমুখী বিশ্বমানস গঠনে সংস্কৃতি চর্চার ধারা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে স্কুল পর্যায়ে শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয় পাঠ্য করা, স্কুলে স্কুলে সঙ্গীত, নৃত্য, নাট্যকলা, চারুকলার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার দাবি রয়েছে সংস্কৃতিকর্মীদের। সেইসঙ্গে জেলা-উপজেলায় শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরো শক্তিশালী করা, কাজের পরিধি বাড়ানো, জনবল নিয়োগ, মিলনায়তন নির্মাণ, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সংস্কৃতিকেন্দ্র নির্মাণ করে সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করার উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। কেন্দ্র থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দিয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে হবে।

উদীচী নেতৃবৃন্দ বলেন, বাজেটের ন্যুনতম ১ শতাংশ সংস্কৃতি খাতের বরাদ্দ দিতে হবে। দেশের প্রতিনিধিত্বশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন, সংস্কৃতি কর্মী ও নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সরকারকে অবিলম্বে সংস্কৃতি খাতের বরাদ্দ বাড়ানো এবং তা যথাযথভাবে খরচ করার ব্যবস্হা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD