শিরোনাম :
বাগেরহাটে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ : স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে জেলা বিএনপির আবেদন হালাল মাংস ও কৃষিপণ্য বাণিজ্য বাড়াতে ঢাকা-কুয়ালালামপুরের নতুন উদ্যোগ দুই কোটি কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনতে সরকারের পরিকল্পনা ওসাকায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারে আশাবাদ পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর জোর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পাহাড়ের উন্নয়নে লোকদেখানো নয়, জনবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান প্রবাসে ক্রিকেট ও বাঙালিয়ানার উৎসব, ফ্রাঙ্কফুর্টে মুখোমুখি আট দল ‘ক্ষমতার চেয়ার নয়, জনগণের সেবাই হোক দায়িত্ব’—ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইবার অপরাধ দমনে প্রতিটি মহানগরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাব স্থাপনের ঘোষণা পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাঁশের সাঁকো একমাত্র ভরসা ২৫ গ্রামের শিক্ষর্থীদের

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৮

সিরাজগঞ্জ থেকে এইচ এম আলমগীর কবির: যেমন সবুজ শ্যামলে ভরা আমাদের এই দেশ। নদী আর খালবিলে ভরা আমাদের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের নদীর বা খাল বিলের পাশেই গড়ে উঠেছে হাট-বাজার, শহর, বন্দর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঠিক এমনি একটি দৃশ্য চোখে পড়ে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলায় নলকা ইউনিয়নে ফুলজোর নদীর দুই পাশে। রয়েছে ১৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নলকা ইউনিয়নকে দুই ভাগে ভাগ করে বয়ে গেছে ফুলজোড় নদী। নদীর পাড় ঘেষে পশ্চিম পাশ দিয়ে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক। পুর্ব পাশে রয়েছে নদী।

এই ইউনিয়নবাসীর একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে সাহেবগঞ্জ ও কেসি ফরিদপুর খেয়াঘাট। ৭০০ মিটার প্রস্থের এই নদীর পাড়ি দিতে এক সময় নৌকায় খেয়া বসানো হতো। খেয়া পারাপারে অনেক সময় নষ্ট হয় বলে সেমাউল উংডং নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও স্থানীয় একটি এনজিওর সহযোগিতায় নির্মান করেছিল ৭০০ মিটার দীর্ঘ এই বাঁশের সাঁকো। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই স্থানটিতে একটি সেতু নির্মানের দাবী করে আসলেও তা ৪ যুগেও পূরন হয়নি।

নদীর পুর্বপাশে রয়েছে, চর ফরিদপুর, পুর্ব ফরিদপুর, আঙ্গারু, বিষ্ণপুর, কাঠালবাড়ি, বোয়ালিয়ার চর, রামপুর, চরগাতী, সেনগাতী, ঝাকড়ি, হাটকান্দা, এরান্দহ, মনোহরপুর, রামপুর, মথুরাপুর ও চররগুনাথপুর গ্রাম। পশ্চিমপাশে অবস্থিত সাহেবগঞ্জ দাদপুর, রায়েরপাড়া, আলমচাদপুর, শেওড়াবাড়ি, মোহৎপুর, দত্তকুশা, কালিপুর ও দাসপাড়া গ্রামের লোকজন প্রতিদিন এই সার্কো দিয়ে চলাচল করছে। ২৫ টি গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। আর এখান দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৭ হাজার লোক যাতায়াত করে থাকে।

সেমাউল উংডং সংগঠনটির সভাপতি রনজিৎ কুমার বলেন, দু:খ কষ্ট লাঘব করতে সবার সহযোগিতা নিয়ে গত বছর ২লাখ ৬০হাজার টাকা ব্যায়ে সাঁকোটি নির্মান করা হয়েছে। এখন বাঁশের সেতুটি নরবরে হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ওই বাঁশের সাঁকো দিয়েই নলকা ইউনিয়নের ২৫ গ্রামের জনসাধারন ও ১৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে।
এ বিষয়ে কথা হয় নলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বারের সাথে তিনি বলেন, বার বার সেতু নির্মানের বিষয়টি প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে। তবে কোন কাজে আসেনি।

এ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গাজী ম,ম আমজাদ হোসেন মিলন বলেন, সাহেবগঞ্জ-কেসি ফরিদপুরে ফুলজোড় নদীর উপর সেতু নির্মানের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে সরকারী কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের নিকট একটি সেতুর দাবি করে আসলেও আজও তা পূরন হয়নি। দ্ররুত এই সেতুটি নির্মানের জোর দাবী জানান ভুক্তভোগীরা।

 

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD