শিরোনাম :
শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ, মেলানিয়ার আয়োজনে বাংলাদেশের ডা. জুবাইদা রহমান নেপালে তুষারধসে নিহত ১৫ অভিযাত্রীকর্মী, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত জাতীয় দিবসে হংকংয়ে এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’র অগ্রযাত্রার বার্তা চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সি চিন পিংকে শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান বিষাক্ত ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ, ভেন্টিলেটরে ক্রিস্টিয়া পাইক তিন মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা চিফ হুইপের কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামবাহী বহর এনআইডি ও জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বিয়ের তথ্য বাংলাদেশকে শক্তিশালী বিনিয়োগকেন্দ্র হিসেবে গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সহিংসতায় গ্রেপ্তার ১,৭৪৭

বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৯

জার্মানবাংলা ডেস্ক:গত বছরের ৪ এপ্রিল চট্টগ্রামের হালিশহরে এক চালানে ১৩ লাখ ইয়াবা বড়ি আটক হওয়ার পর কক্সবাজার ও মিয়ানমারের মূল চোরাকারবারিদের নাম বেরিয়ে আসে। তাঁদের একজন সাইফুল করিম। ১৩ লাখ ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত দুই আসামি রশিদ ওরফে মুন্না ও আশরাফ আলী চট্টগ্রামের আদালতে সাইফুল করিম এবং মিয়ানমারের চোরাকারবারি আবদুর রহিমকে জড়িয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাতে ১৮ কোটি টাকা লেনদেনের বিষয়টি উঠে আসে। হালিশহরের অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন উপকমিশনার মো. শহীদুল্লাহ। তিনি এখন চট্টগ্রামে কাউন্টার টেরোরিজমের দায়িত্বে আছেন।

উপকমিশনার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সাইফুল করিম ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইয়াবার চালান এনেছিলেন। দেশের লাখ লাখ তরুণ-তরুণীকে মাদকাসক্ত করার পেছনে তাঁর ভূমিকা রয়েছে। ১৩ লাখ ইয়াবা বড়ি একসঙ্গে আটক হওয়ার পর তাঁর সম্পর্কে আমরা এসব তথ্য পাই।’

সাইফুল করিম।ফাইল-ছবি

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক ব্যবসায়ীর তালিকায় ১ নম্বর, কক্সবাজারের গডফাদারের তালিকায় ২ নম্বরে ছিল সাইফুলের নাম।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার পর নাফ নদীর স্থলবন্দর সীমানাপ্রাচীর এলাকায় ইয়াবা উদ্ধার অভিযানের সময় সাইফুল বন্দুকযুদ্ধের শিকার হন। জানা গেছে, পুলিশ মিয়ানমার থেকে আনা ইয়াবা উদ্ধারে গেলে সাইফুলের সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশও পাল্টা জবাব দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের ওপর হামলাকারীরা পিছু হটে। পরে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সাইফুলকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস।

ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানান, সাইফুলকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাইফুল নিহত হন।কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন জার্মান বাংলা ২৪ কে সাইফুলের নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া টেকনাফ থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে ১ লাখ ইয়াবা বড়ি, ৪২টি শটগানের তাজা গুলি ও ৩৩টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD