জার্মান-বাংলা ডেস্ক: রাজশাহী চারঘাট উপজেলায় প্রতিবন্ধী ধর্ষিতা শিশু (১১) এক সন্তানের জননী হয়েছে। ধর্ষক জেলে থাকলেও ওই সন্তানের পিতৃ পরিচয় কি হবে, কে করবে তার ভরণপোষণ, এরকম নানা প্রশ্ন করছে ভুক্তভোগীর পরিবার এবং স্থানীয় জনগণ।
উপজেলার কানজগাড়ী গ্রামের সওকত আলীর প্রতিবন্ধী মেয়ে (১১) সন্তান সম্ভাবনার অবস্থা দেখে পরিবার এবং নিজ গ্রামে আলোচনাা ঝড় উঠে। ওই বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশসহ বিভিন্ন বেসরকারী সমাজসেবি তদন্ত করতে থাকে। ঘটনার এক পর্যায়ে মেডিকেল রির্পোট এবং কৌশলগত কারনে প্রতিবন্ধীর মেয়ের জবানবন্দিতে আসল তথ্য প্রকাশ হয়।
আরবী শিক্ষা গ্রহনের জন্য সরকারপাড়া জামে মসজিদের ঈমাম শাজাহানের কাছে যেত ওই মেয়ে। এই সুযোগ গ্রহন করে লম্পট ঈমাম। প্রতিবন্ধীর কারনে কিছুই প্রকাশ করতে পারেনি ওই ১১ বছরের শিশু। ধীরে ধীরে সন্তান সম্ভবনা হলেও হতবাক সবায়। যার ফলে গত ২৮ জুলাই একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন ওই শিশু।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম বলেন, চারঘাট উপজেলা সমাজসেবা দপ্তর কর্তৃক আর্থিক সহযোগিতা করেছে। গত ২৮ জুলাই রাতে ওই মেয়ের সন্তান প্রসবযন্ত্রনা হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সিজারিং করে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয় প্রতিবন্ধী শিশু। ওই সময় বিএইচআরসি এর সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাদশা, এসিডির মোস্তফা এবং রাশিদা তাদের সহযোগি সঙ্গী হিসাবে ছিলেন।
এবিষয়ে ওসি নজরুল ইসলাম জানান, বর্তমান ধর্ষক রাজশাহী জেলে আছে। ধর্ষিতা মেয়ের সদ্য প্রসবকৃত সন্তান আইন অনুযায়ি ধর্ষক শাজাহান এর পিতৃ পরিচয়ে বড় হবে এবং সম্পদের ওয়ারিস হবে। বিজ্ঞ আদলত মতে বিয়ের পূর্বে অবৈধ মেলামেশার কারনে ওই আসমীর জেল ও জরিমানা দুই দিতে পারেন।