শিরোনাম :
ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ, সতর্কতার আওতায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ চীন-রাশিয়া বন্ধুত্ব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় সি চিন পিংয়ের সফরে চীন-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কে নতুন গতি রোহিঙ্গাদের গ্রাম ধ্বংস করে সামরিক ঘাঁটি ও বন্দিশিবির গড়ছে আরাকান আর্মি: গার্ডিয়ান সম্পাদকীয় : সবার জন্য বাসযোগ্য বসতি গড়াই হোক অঙ্গীকার সীমিত আয়ের মানুষের মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী বড়পুকুরিয়ায় উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ১৭ কোটি টন কয়লা উত্তোলনে সরকারের পরিকল্পনা সবার জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত আবাসন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত: রাষ্ট্রপতি লোকসান কমিয়ে রেলকে লাভজনক করতে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ  বন্যা ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় উপকূলীয় ১৪ জেলায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

পেটে গজ ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই,বিছানায় কাতরাচ্ছে গৃহবধু

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৯

এইচ এম আলমগীর কবির,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জ শহরের কমিউনিটি হাসপাতাল কমপ্লেক্সে অপারেশন (সিজার) করেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. কমল কান্তি দাস। অপারেশনের সময় পেটের ভিতরে গজ ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দেয়া হয়। পেটের ভিতর গজ ব্যান্ডেজ নিয়ে নিদারুন যন্ত্রণায় ভুগতে শুরু করেন গৃহবধু নুপুর। মঙ্গলবার দুপুরে শহরতলীর রায়পুর পশ্চিমপাড়া গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এর আগে গত ৮ মে অপারেশন হয় ওই হাসপাতালে।

নুপুর রায়পুর মহল্লার নুরাল শেখের মেয়ে ও সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের চ্াঁদপাল গ্রামের শহীদুলের স্ত্রী।

ব্যাথা সইতে না পেরে বিভিন্ন স্থানে ডাক্তারের সরনাপন্ন গৃহবধু নুপুর।। তারপরও রোগ নির্নয় হচ্ছিল না। একাধিক বার পরিক্ষা নিরিক্ষা করার পর ধরা পড়ে পেটের ভিতর কিছু একটা আছে। পরে বেসরকারী আভিসিনা হাসপাতালে চলতি মাসে প্রথম দিকে আবারো অপারেশন করানো হয়। অপারেশন শেষে নুপুরের পেট থেকে গজ ব্যান্ডেস বের করা হয়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডা. আশরাফুল ইসলাম।

গৃহবধু নুপুর বলেন, আমার স্বাভাবিক জীবন ছিল, ওই কমিউনিটি হাসপাতালের চিকিৎসক আমার স্বাভাবিক জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। আমি সুস্থ হতে চাই। শুধু তাই নয়। বর্তমানে বাবার বাড়ীতে বিনা চিকিৎসায় বিছানায় শুয়ে শুয়ে কাতরাচ্ছেন । সিজারিয়ানের মাধ্যমে এক কন্যা সন্তানের জম্ম দেন নুপুর। নাম তার নাদিয়া। সন্তান সুস্থ থাকলেও মায়ের অবস্থ খুব খারাপ।

গৃহবুধর পিতা নুরাল শেখ বলেন, কমিউনিটি হাসপাতালে আমার মেয়ের সিজার করেন ডা. কমল কান্তি দাস। মেয়ের সিজারের বিল করেন ১৩ হাজার টাকা। আমি কতৃপক্ষের হাত-পা ধরে ৮হাজার টাকা পরিশোধ করি। তারপরও আমার মেয়ে এই হাল করল চিকিৎসক। আমি এর বিচার চাই।

এবিষয়ে ডাঃ কোমল কান্তি দাস সকল অভিযোগ স্বীকার করে জানান, কাজ করতে গেলে একটু ভুল হতেই পারে। তবে এ ঘটনা নিয়ে শহরের বড় বড় প্রভাবশালী লোক সমাধানের চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান।

কথা হয় সিভিন সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলামের সাথে তিনি জানান, এধরনের অভিযোগ এখনো আমার কাছে আসেনি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, যেহেতু রোগীর অবস্থা ভাল না। তারা তাড়ি রোগীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো পরামর্শ দেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD