জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে রাখার কোনো সুযোগই নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যখন সুযোগ ছিল তখন বিএনপি আসেনি। গত নির্বাচনে তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদটি পর্যন্ত আমরা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। এখন তো তাদের সংসদে প্রতিনিধিত্বই নেই। সেখানে তাদের নেওয়ার সুযোগই নেই।
ঈদ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে আগামী নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির কোনো অংশগ্রহণ থাকবে কি-না সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি একথা বলেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান প্রমুখ।
নির্বাচনকালীন সরকারে টেকনোক্রাট পদে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা আছে কি-না সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, বুদ্ধিজীবী আছেন, পেশাজীবী আছেন। আরো অনেকেই আছেন। সেখানে একটি দল থেকে কেন নিতে হবে? আর সেই চিন্তা সরকারের নেই। অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের কোনো পদ্ধতি নেই। পদ্ধতিটা আমাদের সংবিধানে আছে।
সংবিধান নির্ধারণ করে দিয়েছে কীভাবে নির্বাচন হবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার জন্য অর্পিত দায়িত্ব থাকবে নির্বাচন কমিশনের ওপর। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত করতে নির্বাচন কমিশন যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের জন্য ৯০ শতাংশ প্রস্তুতি শেষ করেছেন বলে ঘোষণা করেছেন। আর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডটা কীভাবে হবে তাও কিন্তু নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। সরকার কিছুই করবে না।
মন্ত্রী বলেন, দেশে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। কিন্তু এক-এগারোর ন্যায় আবারো দেশকে ভয়ঙ্কর ও অস্থিতিশীল করার জন্য বিএনপি ও তার দোসররা উঠে পড়ে লেগেছে। তবে বাধা উপেক্ষা করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।