শিরোনাম :
শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ, মেলানিয়ার আয়োজনে বাংলাদেশের ডা. জুবাইদা রহমান নেপালে তুষারধসে নিহত ১৫ অভিযাত্রীকর্মী, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত জাতীয় দিবসে হংকংয়ে এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’র অগ্রযাত্রার বার্তা চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সি চিন পিংকে শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান বিষাক্ত ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ, ভেন্টিলেটরে ক্রিস্টিয়া পাইক তিন মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা চিফ হুইপের কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামবাহী বহর এনআইডি ও জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বিয়ের তথ্য বাংলাদেশকে শক্তিশালী বিনিয়োগকেন্দ্র হিসেবে গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সহিংসতায় গ্রেপ্তার ১,৭৪৭

দুই মেয়েকে হত্যা করলেন বাবা!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: এবার বাবার নিজ হাতে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করলেন দুই মেয়েকে অপরাধ লিচু খেতে চাওয়া। বাকরুদ্ধ অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাটি ঘটেছে। কিন্তু কেন এই হত্যা ঘটনাটি তদন্ত করতে পুলিশ মাঠে নেমেছে।
নিহত দুই শিশু তাইবা (বায়ে) ও তাইন
মেয়েদের ডাক্তার দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলেন এক বাবা। কিন্তু চিকিৎসক না থাকায় তাদের নিয়ে লঞ্চ টার্মিনালে ঘুরতে যান তিনি। সেখানে ওই ব্যক্তির ছোট মেয়ে লিচু খেতে চাইলে হাতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা কিনে দিতে পারেননি পেশায় নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ করা ওই বাবা।

আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ঠিক মতো মেয়েদের ভরণ-পোষণই করতে পারেন না ওই বাবা। তার ওপর সামনে আবার ঈদ। সন্তানদের নতুন জামা-কাপড় কিনে দেওয়ার মতো কোনো টাকাও তার কাছে নেই। এসব ভেবেই হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন তিনি। এরপরই দুই মেয়েকে লঞ্চ টার্মিনালের বাথরুমে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন শফিকুল ইসলাম নামের ওই বাবা।

গতকাল শুক্রবার রাতে নরসিংদী লঞ্চ টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা দুই শিশুর নাম তাইন (১১) ও তাইবা (৪)।

আটকের পর শফিকুল ইসলাম পুলিশের কাছে দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

আজ শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নরসিংদীর পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহাম্মেদ।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গতকাল শুক্রবার রাতে নরসিংদীতে লঞ্চ টার্মিনালের বাথরুম থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর থেকে তদন্তে নামে পুলিশ। এ নিয়ে শুরুতেই নিহত শিশুদের বাবা শফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার সন্তানদের হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে পুলিশ সুপার জানান, ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশে মনোহরদীর চালাকচর গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল তার দুই মেয়েকে শিবপুর নিয়ে আসেন। চিকিৎসক না থাকায় তিনি তার সন্তানদের নরসিংদী লঞ্চ টার্মিনালে ঘুরতে নিয়ে যান। ওই সময় তার ছোট মেয়ে তার কাছে লিচু খেতে চান। কিন্তু তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। তার ওপর সামনে ঈদ, সংসারের খরচ ও সন্তানের জামা-কাপড় দিতে হবে। এসব ভেবে শফিকুল হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে যান। পরে প্রথমে ছোট মেয়েকে লঞ্চ টার্মিনালের বাথরুমে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন শফিকুল। পরে বড় মেয়েকে একই কায়দায় হত্যা করে মরদেহ রেখে পালিয়ে যান তিনি।

পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখানো কেউ মামলা করেনি। পরিবার মামলা না করলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

প্রাথমিকভাবে শফিকুল ইসলামকে মানসিক ভারসাম্যহীন মনে হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
এমন ঘটনা আর যেন আমাদের না শুনতে হয় সেটাই সকলের প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD