শিরোনাম :
সিসিলির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ‘অমূল্য’ চার চিত্রকর্ম চুরি দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি চীনের আধুনিকায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সি চিন পিং ডারউইন জয় বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের নতুন পরিচয়, প্রশংসায় সাবেক তারকা ও বিশ্লেষকরা রাজধানীতে নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ চালু বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি আজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সেপ্টেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভূমধ্যসাগরে ১১ দিন ভেসে থাকার পর নৌকায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু, ৯ জনই বাংলাদেশি কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৯৪, নিখোঁজ ৩২০ পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়নের ভারসাম্যে চীনের সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ ফিল্ডস পদক চীনের বিশ্বমানের গণিত গবেষণার প্রমাণ: মার্টিন হেয়ার

থেমে নেই স্কুলের নামে কোচিং বাণিজ্য

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯

এম.এ.বারী,বরগুনা জেলা প্রতিনিধি: বরগুনার অলি গলিতে গড়ে উঠেছে স্কুলের নামে কোচিং বানিজ্য। সরকারী স্কুলগুলোতেও শিক্ষকগন বাধ্যতামূলক করেছে বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়া।

সরজমিনে দেখা যায় যে, কোন কোন স্কুলে ক্লাস শেষে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। সেক্ষেএে শিক্ষার্থীরা ব্যাগ ছাড়াই বাড়ী ফেরে এবং স্কুলে কোচিং এর জন্য পূনরায় ফিরে আসে। কিছু স্কুলে ডে ও নাইট সিফ্ট চালু করেছে।

অভিভাবকদের সাথে আলাপ করে জানা যায় যে, প্রতি ব্যাচে ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে কোচিং করান শিক্ষকগন। প্রতি বিষয়ে ১০০০/১৫০০ টাকা করে বেতন দিতে হয়। এক্ষেএে তারা অভিযোগ করেন যে, ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুর্বল শিক্ষার্থী তেমন কিছুই শিখতে পারেনা।

যে সকল পরিবারে ২/৩ জন শিক্ষার্থী স্কুলে যায় সে সকল পরিবারের মধ্যে দেখা দিয়াছে চরম হতাশা। স্কুলের বিধি মানতে গিয়ে আর্থিক দৈন্যে দিন কাটাচ্ছে নিন্মবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ।

স্থানীয়দের আহাযারি যে, শিক্ষামন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা সত্তে¡ও সদর্পে চলছে শিক্ষা বানিজ্য। বেআইনি এসব কার্যকলাপ দেখার যেন কেউ নেই।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD