স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডাক্তার আবু জাফর বলেছেন, জুলাই -আগস্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন না হলে আজ আমি এই চেয়ারে বসতে পারতাম না। ঢাকায় এবং ঢাকার বাইরে আহতদের মধ্যে এখনো ২শ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া ৬জনকে উন্নত চিকিৎসা সেবা দিতে দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে। আরো ২০-২৫ জনকে পাঠানো হবে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা সেবা দিতে । এই আহতদের মধ্যে কারোর দুই হাত, পা -চোখ নেই অন্ধ । অথচ দেশের জন্য আন্দোলন করে তাদের মুখে এখনো হাসি। হাসি মুখে কথা বলে, আমরা তাদের কাছে অনেক অনেক ঋণী।আমরা হাসিমুখে কথা বলে চিকিৎসা সেবা দিলে তাদের মনোবল বাড়ে।
ডাক্তারদের চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে মুখে হাসি থাকতে হবে।
তিনি বলেন, চিকিৎসকদের দালাল নিয়ে অনেক কথা শোনা যায়। আলোর যত উজ্জ্বলতা ছড়াবে অন্ধকার তত দূরে সরে যাবে। তাই ডাক্তাররা ভালো সার্ভিস দিলে দালালের দরকার নেই।
আজ ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার যশোর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে এক মত বিনিময় সভায় ডিজি আবু জাফর এ কথা বলেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন , জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হারুন-রশিদ, যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার আবু আহসান, সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহমুদুল হাসান, আর এম ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বজলুর রশিদ টুলু, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতা ডাক্তার ওবায়েদুল কাদের উজ্জ্বল, ডাক্তার হাসান কোভিদ বাপ্পি, ডাক্তার রফিকুল আজাদ ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা।
মত বিনিময় শেষে এক প্রশ্নের জবাবে এই প্রতিবেদককে ডিজি বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রসিদকে অভিনন্দন ও অভিবাদন জানাই। সে খুবই সুনামের সাথে হাসপাতাল পরিচালনা করছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, হাসপাতালে সব জায়গায় পরিদর্শনে ঘুরে ঘুরে তিনি খুশি বেশ পরিস্কার,পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি কে পেয়েছেন।