শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

জার্মানিতে বাঙালি সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন হামিদুল খান

ফাতেমা রহমান রুমা,জার্মানি:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশের সন্তান হামিদুল খান ১৯৮২ সালে জার্মানিতে আসার পর থেকেই শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রসারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বড়দিন, বাংলাদেশের বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং পহেলা বৈশাখে তিনি নিয়মিত নানা আয়োজন করেছেন। জার্মানির বিভিন্ন শহরে ছোট ছোট অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালি সংস্কৃতিকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন স্থানীয়দের কাছে। এসব আয়োজনে বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হতো, যা জার্মানদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করত।

বিশেষ করে বড়দিন উপলক্ষে হামিদুল খানের আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল ব্যতিক্রমী। গান ও খাবার পরিবেশন করে যে সম্মানী পাওয়া যেত, তিনি তা জার্মানির বৃদ্ধাশ্রমে বসবাসরত মানুষের মাঝে বিতরণ করতেন। তার এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় সমাজে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায় এবং সে সময় জার্মানির বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ নিয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

শুধু উৎসব আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি হামিদুল খান। তিনি রবীন্দ্রনাথ ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন, ছোট কাগজ ও ম্যাগাজিন প্রকাশের মাধ্যমেও প্রবাসে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। এসব অনুষ্ঠানে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশ থেকে খ্যাতিমান গুণীজনরাও অংশগ্রহণ করেছেন।

বর্তমানে ফ্রাঙ্কফুর্টে তিনি নিয়মিতভাবে ‘মাসিক রান্না অনুষ্ঠান’ আয়োজন করছেন, যা জার্মান ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করছে। এবারের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিক রুমা রহমান। তিনি প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জার্মান অতিথিদের সঙ্গেও আনন্দঘন সময় কাটান।

 

যদিও এবারের আয়োজনে খাওয়ার পর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল না, তবুও অতিথিদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে অর্থবহ করেছে। জামান-বাংলা সোসাইটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল অতিথিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

হামিদুল খানের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় জার্মানির মাটিতে বাঙালি সংস্কৃতি শুধু পরিচিতই নয়, সম্মানের সাথেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD