গত ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম রিটটি দায়ের করেন। এতে নির্বাহী বিভাগ থেকে নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা এবং একটি পৃথক ইলেক্টোরাল সার্ভিস কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
রিট আবেদনে দাবি করা হয়েছিল—রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখা উচিত। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়।
আবেদনে বলা হয়, সংবিধান অনুসারে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও বাস্তবে অধিকাংশ দায়িত্ব পালন করে নির্বাহী বিভাগ। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়াকে রিটে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। রিটকারী পক্ষের দাবি—নির্বাহী বিভাগ সরকার-নির্ভর হওয়ায় তাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম যুক্তি দেন, নির্বাহী বিভাগের ওপর আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা কমে গেছে, ফলে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবল দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা আরও জোরদার হয়েছে।
হাইকোর্ট রিটটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করে খারিজ করেন। আদালত পর্যবেক্ষণে জানান, বিষয়টি রিট আকারে উত্থাপনের পর্যাপ্ত আইনগত ভিত্তি উপস্থাপন করা হয়নি।