জার্মান-বাংলা ডেস্ক:
অদ্য ২৮ মে,২০১৯ ইং তারিখ বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারি যে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিনভাগ উত্তর ইউনিয়নের মাধবগুল গ্রামে মৌলভীবাজার জর্জ কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত নারী আইনজীবীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায় যে, গত ২৬ মে সকালে এ্যাড. আবিদা সুলতানা সিলেটের বিয়ানী বাজার বোনের বাড়ি থেকে মৌলভীবাজারে বড়লেখায় বাবার বাড়িতে যান। বিকালে আবিদার বোন মুঠো ফোনে বোনকে না পেয়ে বাবার বাড়িতে যান। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে পাননি তারা । এসময় বাড়ির একটি কক্ষ বন্ধ দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘরের দরজা খুলে আবিদার লাশ দেখতে পান। তারা আবিদার মাথায় ও গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এ ঘটনায় আবিদার বাবার বাড়ির ভাড়াটিয়া স্হানীয় মসজিদের ইমাম তানভীর আহম্মেদকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ঘটনার বিষয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার যথাযথ শাস্তি, নির্যাতনের শিকার আইনজীবীর পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি জানাচ্ছে। আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে,বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে মধ্যযুগীয় কায়দায় হত্যাসহ বিভিন্ন বর্বর নৃশংস সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এ সহিংসতা থেকে আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত বিজ্ঞ আইনজীবীও রেহাই পাচ্ছেনা। এ অবস্হা থেকে উত্তোরনে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে শূণ্য সাহিষ্ণুতার নীতি সামনে রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে। একইসাথে দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যক্তি ও নাগরিক সমাজকে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানাচ্ছ।