এ.কে আজাদ সানি, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া-আলমডাঙ্গা সড়কের নলকোলা স্টিল ব্রীজ ও বালুরচর মোড় পেরিয়ে আনন্দনগর গ্রামের সীমানায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জিকে ক্যানালে পড়ে হুসনেয়ারা খাতুন (৪০) নামের একজন মহিলা ঘটনাস্থলেই বাসের নিচে পিষ্ট হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে । এ ঘটনায় আহত হয়েছে বাসের আরো অন্তত ২৫ যাত্রী ।
শুক্রবার দুপুরের দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে । দূর্ঘটনা কবলিত বাসের নম্বর ঢাকা মেট্রো-জ- ১১-১২০৭ ৷
হালসা ক্যাম্প ইনচার্জ এএসআই সৌমেন কুমার ও পাটিকাবাড়ী ক্যাম্পের এএসআই আনোয়ারুল হক জানান, কুষ্টিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী অতিরিক্ত যাত্রীবাহী একটি দ্রুতগামী বাস বালুরচর মোড় পেরিয়ে আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের আনন্দনগর সীমানায় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়কের পাশের জিকে ক্যানালে উল্টে যাওয়ার ফলে ১জন মহিলার মৃত্যু হয়েছে ৷
সংবাদ পেয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কুষ্টিয়া, মিরপুর ও আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উপস্থিত হয়ে স্থানীয় জনগনের সহযোগীতায় উল্টে যাওয়া বাস থেকে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করে আহতদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন ৷
উদ্ধারকর্মীরা উল্টে যাওয়া বাস তল্লাসী শেষের দিকে বাসের নিচে পিষ্টে থাকা মিরপুর উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের হাউসপুর গ্রামের কৃষক রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী নিহত হুসনেয়ারা খাতুনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন ৷
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম ও সিনিয়র স্টেশন অফিসার আলী সাজ্জাদ এ প্রতিবেদককে বলেন- দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা অতিদ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমাদের টিমের চৌকস ফায়ারম্যান মেহেদী আজাদ, জহির রায়হান, শাফায়েত, শিমুল আহমেদ সহ টিমের অন্যান্য ফায়ারম্যানদের মাধ্যমে হাইড্রোলিক স্পেডার ব্যবহার করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৩/৪ ফুট পানির নিচ থেকে বাস ভর্তি যাত্রীদের উদ্ধার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত আহত যাত্রীদের সুচিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ৷
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশংকা জনক বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক ডাঃ আরএমও তাপস কুমার ৷