শিরোনাম :
হিমালয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর ওয়াশিংটনে ফেং লি ইউয়ানের চীন-মার্কিন সাংস্কৃতিক যোগাযোগের বার্তা  ট্রাম্পের আয়োজিত ভোজসভায় চীন-মার্কিন বন্ধুত্বের উষ্ণ বার্তা বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর জাতিসংঘে বিশ্বশান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি হাসপাতালে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর চার দফা প্রস্তাব জাতিসংঘে GPE-এর উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে আরও অর্থায়ন চাইলেন ববি হাজ্জাজ নিউইয়র্কে ‘উইমেন লিডার্স’ প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

“আমি কিছুই জানি না সবই জানেন সভাপতি”

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯

এম এ আহমেদ আরমান, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:”আমি কিছুই জানি না সবই জানেন সভাপতি সাহেব” এমন কথা বললেন হাটহাজারী পৌরসদরস্থ জামেয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মীর আবুল বশর সিদ্দিকী।

গত শনিবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কার্যালেয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্নীতি, সেচ্চাসারিতা,শিক্ষক নির্যাতনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন এবং তিনি সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চান আর কোন কাগজপত্র দেখাতে পারবেন না। সভাপতি সাহেবের নিষেধ আছে তাই দেখানো ও বলা যাবে না। গভর্নিং বডির কোন অনুমোদন আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনও কমিটির অনুমোদন আসেনি। বছর পেরিয়ে গেলেও আসেনি কমিটির কোন অনুমোদন। এ থেকে বুঝা যায় তিনি নামমাত্র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসল অধ্যক্ষ সভাপতি!

চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার “জামেয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার” অনিয়মের কোষাগার হিসেবে পরিণত হয়েছে যা বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রতীয়মান। তার সত্যতা ও নিজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে তদন্ত প্রতিবেদনের সম্পর্কে দীর্ঘ গড়িমসির কারণ ও বিভিন্ন অনিয়মের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল বশর সিদ্দিকী। তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সভাপতি সাহেব সব জানেন বলে। নিজের দাবী মতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে কমিটির অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন এখনও অনুমোদন আসেনি। এরপরও সবই সভাপতি সাহেব জানেন আমি কিছুই জানি না। এরপর আবার যখন (অধ্যক্ষ) কাছের কত বার বিদেশে গেছেন জানতে চাইলে তিনি ৮ বার বিদেশে যাওয়ার কথা বলে। এমন কথার পরে যখন রশিদ বই নিয়ে বিদেশ চাদা তোলার নিয়ম আছে কিনা তখন তিনি বলেন এটা অবৈধ। তাহলেই আপনি(অধ্যক্ষ) কিভাবে টাকা তোললেন?সেই টাকা কোথায় দেয়া হল? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি হাত জোর করে ক্ষমা চান। এরপর তিনি তাড়াহুড়া করে অফিস থেকে বের হয়ে যান। এ থেকে দেখা যায় তিনি নামে অধ্যক্ষ আসল অধ্যক্ষ হলেন সভাপতি!! অথচ এক বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ারপর কোন অনুমোদন আসেনি কমিটির কিন্তু সকল কাজে কলকাটি নাড়ছেন অনুমোদনবিহীন কমিটির সভাপতি!

মাদরাসার একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক তারা এ প্রতিবেদক কে বলেন, ভাই কি বলব সব অনিয়ম,দুর্নীতিতে ভরে গেছে এ মাদরাসাটি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আর সভাপতি মিলে লাখ লাখ টাকা লুটপাট করছেন। তারা দুইজনের কাজ হল কেউ প্রতিবাদ করলেই মামলা আর বহিস্কার করে। এ ভয়ে কেউ কোন প্রতিবাদ করে না। তারা কোন আইন কানুন মানেন না। মনে করে মাদরাসাটি তাদের নিজস্ব সম্পত্তি। তারা এমন কি উপজেলা প্রশাসন নয়,কোর্ট এবং মন্ত্রাণালয়ের আদেশ পর্যন্ত মানে না? সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়ম আর দুর্নীতির কত নিউজ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় আছে। আর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আগে কিছুই ছিল না। এখন তিনি হাটহাজারী পৌরসদরস্থ আলিফ হসপিটালের পেছনে আলিশান বহুতল বিল্ডিং করেছেন। চিন্তা করে দেখেন কি পরিমাণে দুর্নীতি করেছেন?

এরপর মাদরাসা পরিচালনার কমিটির(অধ্যক্ষের তথ্য মতে) সভাপতি সৈয়দ আহমদ হোসেনর সাথে ৬/৭ বার মোবাইল ফোনে কল করে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD