শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

অ্যাম্বিয়েন্টা ফেয়ার ২০২৬-এ বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি

ফাতেমা রহমান রুমা, ফ্রাঙ্কফুর্ট ,জার্মানি:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোক্তা সামগ্রী ও লাইফস্টাইল মেলা অ্যাম্বিয়েন্টা ফেয়ার ২০২৬-এ বাংলাদেশ এ বছরও নিজস্ব দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও বৈচিত্র্যের অনন্য পরিচয় তুলে ধরে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চমান সম্পন্ন পণ্যের আকর্ষণীয় প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ছিল নজরকাড়া।

এবারের আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে মোট ৩৪টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো—ইপিবির প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপনায় তরঙ্গো, জুট ক্রাফটস বিডি, মাফ ক্রাফট অ্যান্ড ফ্যাশন, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও ইকো ক্রেভ লিমিটেড তাদের উদ্ভাবনী ও পরিবেশবান্ধব পণ্য প্রদর্শন করে উল্লেখযোগ্য সাড়া পায়।

বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো জুট ও হস্তশিল্পভিত্তিক পণ্যের পাশাপাশি হোম ডেকর, টেকসই ভোক্তা সামগ্রী ও আধুনিক লাইফস্টাইল পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরে। এসব পণ্যে দেশের কারুশিল্প, সৃজনশীল নকশা, নান্দনিকতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানের বাস্তব প্রতিচ্ছবি ধরা পড়ে।

বৈশ্বিক বাণিজ্যক্ষেত্রে সুপরিচিত অ্যাম্বিয়েন্টা ফেয়ারে এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক প্রদর্শক, ক্রেতা ও ব্যবসায়ী অংশ নেন। টেকসই লাইফস্টাইল পণ্য ও উদ্ভাবনী ভোক্তা সামগ্রীর নতুন বাজার সৃষ্টিতে এ মেলাকে তাত্পর্যপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জুলকার নাইন এবং কমার্শিয়াল কাউন্সেলর চৌধুরী মো. গোলাম রাব্বী মেলাস্থল পরিদর্শন করে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। রাষ্ট্রদূত ইউরোপীয় বাজারে পরিবেশবান্ধব, মানসম্পন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের নতুন নকশা ও বৈচিত্র্যময় পণ্যের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণে উৎসাহিত করেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান, পণ্যের নিরাপত্তা ও কমপ্লায়েন্স বিষয়ে অবিচল থাকার গুরুত্বও তিনি উল্লেখ করেন।

 

বাংলাদেশি স্টলগুলোতে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ভিড় ছিল উল্লেখযোগ্য। অনেক উদ্যোক্তা জানান, সরাসরি ক্রেতাদের সঙ্গে তাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠান সীমিত উৎপাদন সক্ষমতার কথা উল্লেখ করলেও সামগ্রিকভাবে বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ বাংলাদেশি পণ্যের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে নতুন দিগন্ত দেখিয়েছে।

বিশ্ববাজারে টেকসই ও উদ্ভাবনী পণ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের মেলা বড় ভূমিকা রাখছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD