শিরোনাম :
ধর্ম নয়, জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নই সরকারের অঙ্গীকার: রথযাত্রায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: বিজিবি মহাপরিচালক বিশ্বকাপ শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা-স্পেন পার্বত্য অঞ্চলে সমান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত শিক্ষার মান রক্ষায় কোনো আপস নয়, নকলমুক্ত পরীক্ষায় জোর সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তাদের তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান রোধে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা মিস করলেও সুযোগ পাবেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ২২৫ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ, উত্তরাঞ্চলের লাখো কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি স্পেনের কাছে হেরে ফ্রান্স অধিনায়কের স্বীকারোক্তি—কৌশলেই পিছিয়ে ছিলাম

১লা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

কৃষকদের সরকারি সেবা ও আর্থিক সহায়তা আরও সহজভাবে পৌঁছে দিতে সরকার ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল এ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে জানান, কর্মসূচির সার্বিক তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত সেবা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে। এতে কৃষকরা সরকারি সহায়তা, ভর্তুকি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পেতে পারবেন।

এই কার্ড ব্যবহার করে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার-বীজসহ কৃষি উপকরণ সংগ্রহ, কৃষিযন্ত্র ব্যবহারে সুবিধা, সেচ সুবিধা, কৃষিঋণ গ্রহণ এবং কৃষি বীমার আওতায় আসতে পারবেন। একই সঙ্গে তারা কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্যে বিক্রয়, কৃষি প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কিত তথ্যও জানতে পারবেন।

ফসলের রোগ ও পোকামাকড় মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থাও এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে থাকবে।

সরকারি সূত্র জানায়, এই কর্মসূচি কেবল শস্য উৎপাদনকারী কৃষকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। মৎস্য খাত, প্রাণিসম্পদ খামার এবং দুগ্ধ খামারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও কৃষক কার্ডের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবেন।

প্রথম ধাপে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে কৃষকদের তথ্যভান্ডার তৈরি করা হবে। এরপর দেশের আট বিভাগের নয়টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কার্ড বিতরণ শুরু হবে। নির্বাচিত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের গড়ে প্রায় দুই হাজার ৫০০ টাকা সমমূল্যের ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় কৃষক কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD