শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

সুশাসন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের ওপর দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের গুরুত্বারোপ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো অধ্যাপক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করবে, তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে রাষ্ট্রকে একটি জবাবদিহিমূলক ও নাগরিকবান্ধব কাঠামোয় রূপান্তর করা।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের (বিসিএফসিসি) কার্নিভাল হলে আয়োজিত ‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬ : জাতীয় নির্বাচন ও রূপান্তরের প্রত্যাশা’ শীর্ষক খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপটির আয়োজন করে সিপিডি, সহযোগিতায় ছিল প্রাপ্তি ও সংলাপ।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করার প্রত্যয় থেকেই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন জন্ম নিয়েছিল। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, আত্মত্যাগ এবং বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের নৈতিক ভিত্তি গড়ে দেয়।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সেই চেতনার ধারাবাহিকতায় একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই ছিল জাতির লক্ষ্য। তবে গত পাঁচ দশকে নানা উত্থান-পতন, আশা-নিরাশার মধ্য দিয়ে এগোলেও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এখনো অসম ও ভঙ্গুর রয়ে গেছে।

বিশেষ করে গত দেড় দশকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি বৃদ্ধি, ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন এবং নাগরিক পরিসর সঙ্কুচিত হওয়ার ফলে দেশে গভীর শাসন-সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ পরিস্থিতি উত্তরণে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং দক্ষ ও পেশাদার প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। একই সঙ্গে তিনি বৈষম্যকে একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এর আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD