শিরোনাম :
বৈশ্বিক বাণিজ্য বিশ্লেষণে শক্তিশালী ভূমিকা নেবে বিএফটিআই: বাণিজ্যমন্ত্রী বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন রুনা লায়লা, জাতীয় সম্মাননা দেবে শিল্পকলা একাডেমি আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা জোরদারে মতবিনিময়, বিমান সদর দপ্তরে নৌবাহিনী প্রধান ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ চালু, এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে জেলা প্রশাসনের নানা সেবা শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, নিরাপদ ব্যবহার শেখানোর ওপর জোর ববি হাজ্জাজের মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য

সবুজ উন্নয়নে আইনগত ভিত্তি শক্তিশালী করছে চীন: সি চিন পিং

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

বেইজিংয়ে আয়োজিত এক স্বেচ্ছাসেবী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। ৩০ মার্চ (সোমবার) এই কর্মসূচিতে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, একটি সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ যেমন সবার উপভোগ করার অধিকার রয়েছে, তেমনি এর সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাও প্রয়োজন। তিনি দেশবাসীকে বনায়ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ‘চীনা শৈলী আধুনিকায়ন’-এর ভিত্তি আরও উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ হয়।

কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সাথে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট সি উল্লেখ করেন যে, চীনের অষ্টাদশ জাতীয় কংগ্রেসের পর থেকে দেশে বনাঞ্চল এবং গাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে মরুভূমি এবং বালুকাময় ভূমির পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে। চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত সবুজায়নকারী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি প্রবর্তিত ‘পরিবেশ বিষয়ক আইন’, ‘সুন্দর চীন’ গড়ার আইনি ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে। তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ হলো সুন্দর চীন বিনির্মাণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং এই জনকল্যাণমূলক কাজটি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করতে হবে।

প্রেসিডেন্ট সি বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেন যে, বর্তমান বছরটি ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’-এর প্রারম্ভিক বছর এবং একই সাথে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী বৃক্ষরোপণ আন্দোলনের ৪৫তম বার্ষিকী। নতুন পরিস্থিতিতে বনায়ন প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে হলে গুণমান বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনগণের কল্যাণের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। গাছ লাগানো এবং তার যত্ন নেওয়া—উভয়কেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে একটি টেকসই সহাবস্থান তৈরি হয়।

তিনি বনায়নের ক্ষেত্রে জায়গার সঠিক ব্যবহারের নির্দেশ দেন এবং বলেন, যেখানে যেমন প্রয়োজন—সেখানে সেই অনুযায়ী গাছ বা ঘাস রোপণ করতে হবে। যেখানে গাছ হওয়ার সম্ভাবনা সেখানে গাছ, আর যেখানে ঘাস হওয়ার সম্ভাবনা সেখানে ঘাস লাগাতে হবে। বনাঞ্চল ও তৃণভূমি রক্ষার জন্য আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে এবং আগুন বা পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে সবুজ প্রকৃতিকে রক্ষার নির্দেশনাও দেন তিনি।

সবশেষে তিনি প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বনজ শিল্পের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুনাফাও নিশ্চিত হয়। তিনি বলেন, শহর ও গ্রামের সবুজায়ন এমনভাবে করতে হবে যেন সাধারণ মানুষ তাদের হাতের কাছেই সবুজের ছোঁয়া পায় এবং প্রকৃতির এই উন্নয়নের সুফল সরাসরি ভোগ করতে পারে।

সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD