শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাব নেওয়া হবে না। মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এনসিটিবি কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কারিকুলাম প্রণয়ন ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের কাজে শুধু উচ্চমানের বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সময়োপযোগী পাঠ্যপুস্তক নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।
ড. মিলন এ অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন, মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির জন্য ‘শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা’ পাঠ্যপুস্তক বাধ্যতামূলক করা হবে এবং নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিটিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী, মন্ত্রীর একান্ত সচিব প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ।