শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য হামে মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়ছেই, নিশ্চিত রোগী ১৪ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩৭২ পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণে আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত: শামা ওবায়েদ নদীর পানি বাড়ছে, ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা বিজিবিকে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ‘প্রকৃত দায়ী কে, তা হয়তো জানা যাবে না’

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

ছবি: রয়টার্স

ইরানের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে সংঘটিত প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রকৃত দায় কার, তা হয়তো কখনোই নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সংঘাতের শুরুতে চারদিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরিস্থিতিতে ঘটনাটির জন্য নির্দিষ্টভাবে কাউকে দায়ী করা কঠিন হতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রথম দিনে মিনাবের শাজারেহ তায়িবা বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, ওই হামলায় ১৭৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হন, যা দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

ঘটনার পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি প্রাথমিক অভ্যন্তরীণ তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে হামলাটি সম্ভবত মার্কিন বাহিনীর হামলার ফল হতে পারে। পরবর্তীতে পেন্টাগন তদন্তের পরিধি বাড়ালেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তদন্তকারীরা হয়তো কখনোই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবেন না। তার ভাষায়, “তখন চারদিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটছিল। কী ঘটেছিল তা নির্ধারণ করা সহজ নয়। ঘটনাটি নিঃসন্দেহে মর্মান্তিক, তবে সেই সময় পুরো অঞ্চলেই ব্যাপক সামরিক অভিযান চলছিল।”

হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করার বিষয়ে ট্রাম্প সতর্ক অবস্থান নেন। তিনি বলেন, “কেউ কেউ বলছে এটি আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, কিন্তু সেটি নিশ্চিত নয়। আমি এমন কোনো প্রমাণ দেখিনি যা আমাকে বিশ্বাস করাবে যে হামলাটি আমাদের পক্ষ থেকে চালানো হয়েছিল।”

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পুরোনো বা হালনাগাদ না হওয়া লক্ষ্যবস্তুর তথ্য ব্যবহারের কারণে এই হামলা ঘটে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় হামলাটিকে “সম্পূর্ণ ভয়াবহ” বলে আখ্যায়িত করে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়।

উল্লেখ্য, হামলার পরপরই ট্রাম্প কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই ইরানকে দায়ী করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন করে বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না এবং তার বিশ্বাস, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু বানায়নি।

সূত্র: রয়টার্স।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD