শিরোনাম :
জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনা নয়, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের আগে সিজেপির কঠোর বার্তা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ফের উন্মুক্ত, ১-২ মাসের মধ্যে কর্মী পাঠানোর আশা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও চালুর পথে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের পর দুই দেশের আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নতুনভাবে কর্মী পাঠানোর আশা করছে সরকার।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সিলেট সার্কিট হাউসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এবার কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নিজস্বভাবে রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। অতীতের মতো সিন্ডিকেটনির্ভর ব্যবস্থা এড়িয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো যোগ্য কর্মীদের সম্পূর্ণ বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় পাঠানো এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও জবাবদিহিমূলক করা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ সফল করতে হলে নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার গত দেড় দশকে একাধিকবার বন্ধ ও পুনরায় চালু হয়েছে। ২০০৮ সালে অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া বন্ধ করা হয়। পরে ২০১৬ সালে তা পুনরায় চালু হলেও ২০১৮ সালে আবারও দুর্নীতির অভিযোগে স্থগিত করা হয়। এরপর ২০২২ সালের আগস্টে কর্মী যাওয়া শুরু হলেও ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে নতুন করে শ্রমবাজারটি বন্ধ হয়ে যায়।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান আইনি জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পথ তৈরি হয়েছে। এর ফলেই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বাজারটি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেও যেসব ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মী শেষ মুহূর্তে যেতে পারেননি, তাদের পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন এবং বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, জাপান ও মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়েও সরকার আশাবাদী। নতুন নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

সূত্র: প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD