শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

মানুষ-প্রকৃতির সহাবস্থানের আহ্বান প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ২৪ সেপ্টেম্বর (বুধবার), জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষসম্মেলনে ভিডিও-ভাষণ দেন।

ভাষণে সি চিন পিং বলেন, চলতি বছর প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের দশম বার্ষিকী। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু শাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। প্রথমত, আত্মবিশ্বাসকে শক্তিশালী করতে হবে। সুবজ ও নিম্ন কার্বন রূপান্তর এ যুগের প্রবণতা। যদিও কিছু দেশ স্রোতের বিপরীতে এগিয়ে চলেছে, আন্তর্জাতিক সমাজের উচিত সঠিক দিকটি ধরে রাখা, অটল আত্মবিশ্বাস, অটল পদক্ষেপ ও অবিচল প্রচেষ্টা বজায় রাখা; দ্বিতীয়ত, দায়িত্ব পালন করতে হবে। সকল দেশেরই সাধারণ কিন্তু পৃথক দায়িত্বের নীতি মেনে চলা উচিত। উন্নত দেশগুলোর উচিত প্রথমে নির্গমন কমানোর জন্য তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আরও আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা; তৃতীয়ত, সহযোগিতা গভীর করতে হবে। বিশ্বের প্রতিটি অংশের জন্য পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং শিল্পে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা উচিত।

সি চিন পিং বলেন, চীনে ২০৩৫ সালের মধ্যে নেট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সর্বোচ্চ স্তর থেকে ৭ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলবে; জীবাশ্ম-বহির্ভূত শক্তির ব্যবহার মোট শক্তির ৩০ শতাংশের বেশি হবে; বায়ুশক্তি ও সৌরশক্তি ‌উত্পাদনের মোট স্থাপিত ক্ষমতা ২০২০ সালের স্তরের ছয় গুণেরও বেশি হবে, যার লক্ষ্য ৩৬০০ কোটি কিলোওয়াটে পৌঁছানো; বনের মজুদ ২৪০০ কোটি ঘনমিটার ছাড়িয়ে যাবে; নতুন শক্তির যানবাহন নতুন যানবাহন বিক্রির মূলধারায় পরিণত হবে; একটি দেশীয় কার্বন নির্গমন বাণিজ্য বাজার প্রধান উচ্চ-নির্গমন শিল্পগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে; এবং একটি জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য চীনের পক্ষ থেকে কঠোর প্রচেষ্টার পাশাপাশি একটি অনুকূল ও উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক পরিবেশ প্রয়োজন। চীন তার প্রতিশ্রুতি পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আত্মবিশ্বাসী। সবার প্রতি মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে সুরেলা সহাবস্থানের সদিচ্ছা বাস্তবায়ন এবং অভিন্ন পৃথিবী নামক গৃহ রক্ষা করার জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান সি চিন পিং।

সূত্র :রুবি-আলিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD