শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য চার প্রস্তাব

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

১৪ এপ্রিল চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে চীন সফররত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে সি চিন পিং বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত চীনের পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত অংশীদার এবং চীন সবসময়ই ইউএইর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। উভয় পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় চীন-সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্ক সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়নের ধারা বজায় রেখেছে; রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা গভীর হয়েছে, বাস্তবমুখী সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে এগিয়েছে এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় হয়েছে। চীন-সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্ককে সুসংহত ও উন্নত করা উভয় পক্ষের দৃঢ় ঐকমত্য; এটি দুই দেশের জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

চীন ইউএইর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে আরও দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক ও গতিশীল পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে ইচ্ছুক। উভয় পক্ষ মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করে। সি চিন পিং শান্তি আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চীনের নীতিগত অবস্থানের ওপর জোর দেন এবং পুনর্ব্যক্ত করেন যে, চীন এ বিষয়ে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে যাবে। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং তা এগিয়ে নিতে চারটি প্রস্তাব দেন: প্রথমত, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি মেনে চলা; দ্বিতীয়ত, জাতীয় সার্বভৌমত্বের নীতি মেনে চলা; তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের নীতি মেনে চলা; এবং চতুর্থত, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার সমন্বয়ের নীতি মেনে চলা। সাক্ষাৎকালে খালেদ বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত-চীন সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস ও গভীর ভিত্তি রয়েছে। উভয় দেশ সবসময় একে অপরকে সম্মান ও বিশ্বাস করে এসেছে, এবং তাদের মধ্যে ব্যাপক অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়ন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা গভীর করা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আরও বিস্তৃত ভবিষ্যৎ উন্মোচন এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে চীনের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক।

সূত্র:লিলি-তৌহিদ-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD