শিরোনাম :
সব জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ দেবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বাকস্বাধীনতা থাকলেও তা যেন বাকশালীনতার সীমা অতিক্রম না করে : প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি ১,৪৯২ বিডিআর সদস্যদের পুনর্বহালের সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে এক মাসের সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও জবাবদিহি একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় হলিউডে এখনো বঞ্চনার শিকার সারান্ডন শিক্ষকদের সম্মান ও শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির আহ্বান

‘বিএনপির বিজয়ে নতুন ভূরাজনীতি: দিল্লির সতর্ক ইতিবাচকতা’

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সাম্প্রতিক নির্বাচন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির ব্যাপক গণজয় শুধু অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, আঞ্চলিক কূটনীতিতেও নতুন হিসাব তৈরি করেছে। নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেও দুই দেশের সম্পর্কে যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে অতিরিক্ত প্রচেষ্টা প্রয়োজন হবে—বিশেষজ্ঞদের এমনই অভিমত।

জটিল হয়ে ওঠা দুই দেশের সম্পর্ক

২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্ক ক্রমাগত চাপের মুখে রয়েছে। সীমান্তে হতাহতের ঘটনা, পানিবণ্টন ব্যবস্থায় অগ্রগতি না হওয়া, বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য—সব মিলিয়ে সম্পর্কের ওপর জমেছে ক্ষোভের স্তর। ভিসা সুবিধা সীমিত হওয়া, স্থল ও আকাশপথে যোগাযোগ কমে যাওয়া—এগুলোও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ভারতের কিছু রাজনৈতিক অঙ্গন ও টিভি টকশোতে বাংলাদেশ বিষয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য ঢাকায় এমন বার্তা দিয়েছে যে নয়াদিল্লি এখনও বাংলাদেশকে সমমর্যাদার অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করতে দ্বিধায় আছে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন—চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা দুই দেশকে একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল করেই রেখেছে।

কার উদ্যোগে শুরু হবে সংলাপ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক পুনর্গঠনে প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব ভারতেরই। ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত মনে করেন, ‘প্রতিবেশী বড় দেশ হিসেবে দিল্লিকেই আগে এগোতে হবে। বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে—এখন ভারতে উচিত নতুন সরকারকে সঙ্গে নিয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো খুঁজে দেখা।’

এসওএএস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অবিনাশ পালিওয়াল মনে করেন, অতীতে বিএনপি–ভারত সম্পর্ক সন্দেহে আচ্ছন্ন থাকলেও নতুন প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান অতীতের ভুল থেকে বের হয়ে বাস্তববাদী অবস্থান নিয়েছেন, যা ইতিবাচক ইঙ্গিত। তাঁর মতে, ভবিষ্যতের সম্পর্ক নির্ভর করবে উভয় পক্ষ কতটা পরিমিত ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে পারে তার ওপর। নইলে পরিস্থিতি ‘নিয়ন্ত্রিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা’তেই আটকে থাকবে।

সূত্র: বিবিসি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD