শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য হামে মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়ছেই, নিশ্চিত রোগী ১৪ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩৭২ পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণে আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত: শামা ওবায়েদ নদীর পানি বাড়ছে, ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা বিজিবিকে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাণিজ্য কারসাজিতে অর্থ পাচার

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

ছবি: ইন্টারনেট।

বাংলাদেশ থেকে বাণিজ্যের আড়ালে বিপুল অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাচারের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) জানায়, ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এক দশকে প্রায় ৬৮.৩০ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে অবৈধভাবে বাইরে চলে গেছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৬.৮৩ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, যা দেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ১৬ শতাংশের সমান। মূলত আমদানি ও রপ্তানিতে পণ্যের মূল্য কম-বেশি দেখানোর মাধ্যমে এই অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত অর্থনীতি বিষয়ক শ্বেতপত্রে আরও বড় অঙ্কের পাচারের তথ্য উঠে আসে। এতে বলা হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, যার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে এই পাচারের সঙ্গে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক প্রভাবশালী মহলের সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণাগুলো বলছে, পাচার হওয়া অর্থের বড় অংশ উন্নত দেশগুলোতে চলে যায়, যা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এতে কর আদায় কমে যাচ্ছে এবং অবকাঠামো ও জনসেবা খাতে বিনিয়োগের সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট পাচারের প্রায় ৭৫ শতাংশই বাণিজ্য চ্যানেলের মাধ্যমে ঘটে। বিশেষ করে বস্ত্র, ভোগ্যপণ্য ও জ্বালানি আমদানিতে এই অনিয়ম বেশি লক্ষ্য করা যায়। ব্যাংকিং খাতের সীমাবদ্ধতা ও তথ্য যাচাইয়ের ঘাটতিকে এ ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুল্ক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদান জোরদার এবং ব্যাংকিং তদারকি শক্তিশালী না করলে এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন হবে।

 

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD