শিরোনাম :
আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনা নয়, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের আগে সিজেপির কঠোর বার্তা কুয়েত ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শেষ হলো জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ১,১৩৭

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গত বুধবার রাতে নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম জানান, নিহত নাঈম কিবরিয়া পাবনা সদর উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবা গোলাম কিবরিয়া। তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবী ছিলেন।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নাঈম কিবরিয়া বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাঁর গাড়ির ধাক্কা লাগে। এরপর মোটরসাইকেলের চালকসহ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবক তাঁকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে বেদম মারধর করেন। পরে তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তাঁরা।
খবর পেয়ে নাঈমের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর রাতেই হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, নাঈম কিবরিয়া প্রায় ১০ দিন আগে পাবনা থেকে ঢাকায় এসে পূর্বাচলে তাঁর বাসায় উঠেছিলেন। পাবনায় ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় জামিন নেওয়ার জন্য তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং এ বিষয়ে হাইকোর্টে আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

রফিকুল ইসলাম আরও জানান, ঘটনার রাতে নাঈম তাঁর এক বন্ধুর প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়েছিলেন। পরে তাঁর মুঠোফোনে কল দিলে বসুন্ধরা এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ফোন ধরেন এবং জানান, নাঈমকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD