শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য হামে মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়ছেই, নিশ্চিত রোগী ১৪ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩৭২ পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণে আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত: শামা ওবায়েদ নদীর পানি বাড়ছে, ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা বিজিবিকে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্যারিসে চীন–মার্কিন আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনা, নতুন মতৈক্য

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

স্থানীয় সময় ১৫ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে, চীন-মার্কিন আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হ্য লি ফেং এবং মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ও বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার অংশগ্রহণ করেন।

চীন-মার্কিন নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য অনুসারে, শুল্ক ব্যবস্থাপনা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পুঁজি বিনিয়োগ, চলমান অর্জিত পরামর্শের মতৈক্য মেনে চলাসহ, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক, গভীর ও গঠনমূলক আলোচনা করেন দু’দেশের প্রতিনিধিরা। এ সময় নতুন কিছু মতৈক্যেও পৌঁছানো সম্ভব হয়।

চীনা প্রতিনিধি হ্য বলেন, দু’দেশের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্যের আওতায়, গত বছর পাঁচ দফার আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনার পর, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ধারাবাহিক পরামর্শ-সভায় ফলাফল অর্জিত হয়েছে, যা দু’দেশের আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও বিশ্বের অর্থনীতিতে আরও বেশি নিশ্চয়তা ও স্থিতিশীলতা যুগিয়েছে।

তিনি বলেন, মার্কিন পক্ষ ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ১২২ ধারা অনুসারে, সকল বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে এবং চীনের ওপর ‘৩০১ ধারা’-য় তদন্ত, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, এবং বাজার অনুমোদন বাধাসহ বিভিন্ন নেতিবাচক ব্যবস্থা নিয়েছে। মার্কিন পক্ষের একতরফাভাবে শুল্ক বাড়িয়ে দেওয়ার আচরণেরও বিরোধিতা করে চীন এবং সংশ্লিষ্ট শুল্ক বাতিল করার জন্য তাগিদ দেয়।

হ্য আরও বলেন, প্রয়োজন হলে নিজের বৈধ অধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ নেবে চীন। যুক্তরাষ্ট্র দু’দেশের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন করবে বলে আশা করে বেইজিং, যাতে সহযোগিতার তালিকা বড় হবে, সমস্যার তালিকা ছোট হবে, এবং দ্বিপাক্ষিক আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্বাস্থ্যকর, স্থিতিশীল ও টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

মার্কিন পক্ষ জানায়, স্থিতিশীল চীন-মার্কিন আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিশ্বের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ, যা বিশ্বের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ-শৃঙ্খলের নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক। দু’দেশের উচিত মতভেদ কমিয়ে দেওয়া, সমস্যার অবনতি ঠেকানো, এবং পরামর্শের মাধ্যমে বিদ্যমান মতভেদ সমাধান করা।

সূত্র: সুবর্ণা-আলিম-শুয়ে ফেই ফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD