শিরোনাম :
বৈশ্বিক বাণিজ্য বিশ্লেষণে শক্তিশালী ভূমিকা নেবে বিএফটিআই: বাণিজ্যমন্ত্রী বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন রুনা লায়লা, জাতীয় সম্মাননা দেবে শিল্পকলা একাডেমি আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা জোরদারে মতবিনিময়, বিমান সদর দপ্তরে নৌবাহিনী প্রধান ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ চালু, এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে জেলা প্রশাসনের নানা সেবা শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, নিরাপদ ব্যবহার শেখানোর ওপর জোর ববি হাজ্জাজের মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য

পার্বত্য অঞ্চলের উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতীক: পার্বত্য সচিব

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার ঐতিহ্যবাহী উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি ও বৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরে পালিত সব উৎসবই বাংলাদেশের সামগ্রিক সংস্কৃতির অংশ এবং এগুলোর মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্ষবিদায়, চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণ উৎসবকে স্থানীয় পরিসর থেকে জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরাসরি ও ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সচিব বলেন, বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান শুধু উৎসব নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারার প্রতিফলন। এসব আয়োজন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ভিত্তি ও সাংস্কৃতিক মর্যাদাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

তিনি আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রাণচাঞ্চল্য কিছুটা কমে এসেছে। তাই এসব উৎসব সম্পর্কে দেশের সব মানুষের জানার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তবে যেহেতু উৎসবগুলোর জন্ম ও বিকাশ পার্বত্য অঞ্চলে, তাই এগুলোর মূল আয়োজনও সেখানেই হওয়া উচিত।

মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, কেবল একটি সেমিনারের মাধ্যমে স্থানীয় উৎসবকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে তিন পার্বত্য জেলাতেও আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ আলোচনা আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে।

সেমিনারে ‘বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান: সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, জাতীয় সংহতি এবং স্থানীয় থেকে জাতীয় উৎসবে উত্তরণের রূপরেখা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম।

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর এসব উৎসবের মূল দর্শন হলো প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা, সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশা। জাতীয় সংহতির জন্য সাংস্কৃতিক একরূপতা নয়, বরং বৈচিত্র্যের মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি প্রয়োজন বলেও এতে তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া উৎসবগুলোকে জাতীয় সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা, শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, গণমাধ্যমে প্রচার বাড়ানো এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এসব উৎসবের মধ্য দিয়েই বহুত্ববাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পার্বত্য জেলা পরিষদের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সরাসরি ও অনলাইনে অংশ নেন।

সূত্র: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD