শিরোনাম :
বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব

পশ্চিমা রাজনৈতিক দল থেকে সিপিসি মৌলিকভাবে ভিন্ন: লি চুনরু

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিসির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট চীনা বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের দিক থেকে সিপিসি পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন। এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে দলটির টিকে থাকা এবং এর গতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়টি নির্ভর করে এর মূল আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল এবং জনগণের বিশাল অংশের স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত থাকার ওপর।
সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির পার্টি স্কুলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চুনরু ‘দ্য পাওয়ার অফ আইডিয়াস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দলের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরেন। চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের (সিজিটিএন) এই বিশেষ বক্তৃতা-মালার মূল লক্ষ্য হলো চীনের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকে রূপদানকারী বিভিন্ন ধারণা বা চিন্তাধারা নিয়ে আলোচনা করা।
সিপিসি’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রচারিত সিজিটিএনের ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় লি দলটির ঐতিহাসিক উৎপত্তি এবং এর স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো মূলত ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হওয়ার নির্বাচনী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে; অন্যদিকে সিপিসি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির একটি দল।

তিনি বলেন, “জাতীয় জাগরণ ও নবজাগরণের প্রেক্ষাপটে মার্কসবাদ- লেনিনবাদের সাথে চীনা শ্রমিক আন্দোলনের সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে সিপিসির জন্ম হয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবেই চীনা জনগণ ‘দল’ বলতে এমন কোনো গোষ্ঠীকে বোঝাতে অভ্যস্ত নয় যা কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল ও ক্ষমতার লড়াইয়ের জন্য গঠন করে। ‘কমিউনিস্ট ইশতেহার’-এর নীতিমালার ভিত্তিতে সিপিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল জনগণের বিশাল অংশের কল্যাণ সাধন। একইসাথে দলটির প্রতিষ্ঠার মূল নীতিগুলো চীনের চমৎকার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির শিক্ষার সাথেও গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। যদিও সিপিসির ইংরেজি অনুবাদে ‘পার্টি’ (দল) শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তবুও এর অন্তর্নিহিত অর্থ বা তাৎপর্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।”
লি জোর দিয়ে বলেন যে, জনগণের কাছে দলের দীর্ঘস্থায়ী শক্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার স্বার্থে, দলের সদস্যদের মধ্যে ক্ষমতা ও বিশেষ সুবিধার যে ক্ষতিকর প্রলোভন কাজ করে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করার দৃঢ় সংকল্প সিপিসি’র থাকতে হবে।
তিনি বলেন, “চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন নিশ্চিত করাই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়নার মূল লক্ষ্য ও প্রতিষ্ঠার আদর্শ। একই সাথে, সিপিসির সদস্যরা ভালোভাবেই জানেন যে সামনের পথ ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জে পূর্ণ। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে, দলের সদস্য ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত লাভের যে দ্বৈত ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এখন আরও বেশি জরুরি। তাই, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং যেমনটি বলেছেন- কেবল নিজেদের মূল লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে, প্রতিষ্ঠার আদর্শকে দৃঢ়ভাবে মনে রেখে এবং নিরলসভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়না চিরকাল তারুণ্যদীপ্ত ও প্রাণবন্ত থাকতে পারে।”

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD