শিরোনাম :
আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনা নয়, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের আগে সিজেপির কঠোর বার্তা কুয়েত ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শেষ হলো জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ১,১৩৭

নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

আবারও শুরু হয়েছে বৈশ্বিক জলবায়ুগত ঘটনা এল নিনো। যুক্তরাষ্ট্রের এনওএএ আনুষ্ঠানিকভাবে এর সূচনার ঘোষণা দেওয়ার পর বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, এবারের এল নিনো গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খরা, অতিবৃষ্টি, দাবানল, তাপপ্রবাহ ও খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলবায়ুবিদরা বলছেন, পরিস্থিতি পূর্বাভাস অনুযায়ী এগোলে এটি গত ৭৫ বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ এল নিনোতে পরিণত হতে পারে।

এল নিনো মূলত নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদি গড়ের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বৃদ্ধি পেলে সেটিকে শক্তিশালী এল নিনো হিসেবে ধরা হয়। বিভিন্ন আবহাওয়া মডেল ইঙ্গিত দিচ্ছে, আগামী কয়েক মাসে এই বৃদ্ধি ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।

১৯৮২-৮৩ সালের এল নিনোকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এবারের পরিস্থিতি সেই রেকর্ড অতিক্রম করতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

বিশেষজ্ঞরা আরও উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হলে আবহাওয়ার চরম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ২০২৪ সাল ইতোমধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে রেকর্ড গড়েছে এবং পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৭ সালে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হতে পারে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা, সাহেল অঞ্চল, সোমালিয়া, মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং এশিয়ার কয়েকটি দেশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। দীর্ঘ খরার পর অতিবৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে।

এদিকে চলমান যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট ও খাদ্যঘাটতিতে ভুগছে এমন দেশগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিশেষ করে কৃষি উৎপাদন ও সার সরবরাহে চাপ বাড়লে খাদ্য নিরাপত্তা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশকে সম্ভাব্য মানবিক সংকটের ঝুঁকিতে থাকা রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো প্রস্তুতি গ্রহণই ক্ষয়ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD