প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি বলেন, “কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।”
সভার প্রধান এজেন্ডায় ছিল কৃষক কার্ডের কার্যক্রম প্রসারিত করা, যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধাসমূহ কৃষকদের কাছে সহজেই পৌঁছানো যায়। এই কার্ড প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে, যার মাধ্যমে তারা সরাসরি সরকারী সহায়তা পেতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারি সহায়তা কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে নয়, বরং সরাসরি কৃষকদের হাতে তুলে দিতে হবে।”
তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন, যে দ্রুততার সাথে কৃষকদের একটি নির্ভুল ডেটাবেজ তৈরি করা হবে। সভায় জানানো হয়, ডিজিটাল কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কৃষি ঋণ, সেচ সুবিধা, ফসল বিমা এবং সরকারি ভর্তুকি গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়াও, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান কাজটি আরো স্বচ্ছ ও সহজ হবে।
পাইলট প্রকল্পটির জন্য দেশের কয়েকটি জেলায় খুব শিগগিরই কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হবে, এবং সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী মৌসুমের আগেই কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া।
এই উদ্যোগ কৃষি ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে, যা দেশের কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবে।