শিরোনাম :
বৈশ্বিক বাণিজ্য বিশ্লেষণে শক্তিশালী ভূমিকা নেবে বিএফটিআই: বাণিজ্যমন্ত্রী বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন রুনা লায়লা, জাতীয় সম্মাননা দেবে শিল্পকলা একাডেমি আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা জোরদারে মতবিনিময়, বিমান সদর দপ্তরে নৌবাহিনী প্রধান ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ চালু, এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে জেলা প্রশাসনের নানা সেবা শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, নিরাপদ ব্যবহার শেখানোর ওপর জোর ববি হাজ্জাজের মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মিশর, জয় উৎসর্গ ফিলিস্তিনের প্রতি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিশর। অস্ট্রেলিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর দলের প্রধান কোচ হোসাম হাসান এই স্মরণীয় জয় ফিলিস্তিনের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। তার আবেগঘন বার্তা যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ গোলে সমতা ছিল দুই দলের। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

ম্যাচের ১৩ মিনিটে ইমাম আশুরের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। এরপর অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে জয়সূচক পেনাল্টি থেকে গোল করেন হোসাম আবদেলমাগুইদ। অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সাউতার ও লুকাস হেরিংটন স্পটকিক থেকে ব্যর্থ হলে জয় নিশ্চিত হয় মিশরের।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবেগঘন বক্তব্য দেন কোচ হোসাম হাসান। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন এবং তাদের শহীদদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। এই জয় আমি মিশরের জনগণ এবং ফিলিস্তিনের সম্মানিত মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।’

জয়ের পর হাসান মাঠে মিশর ও ফিলিস্তিন—দুই দেশের পতাকা হাতে উদযাপন করেন। খেলোয়াড়রাও মাঠে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে ঐতিহাসিক সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নেন।

হাসানের বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গাজার বহু বাসিন্দা ও ফিলিস্তিনি সমর্থক মিশরের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। গাজার বাসিন্দা তামের নাহেদ এক্সে লেখেন, জীবনে প্রথমবার এত উত্তেজনা নিয়ে বিশ্বকাপ দেখেছেন তিনি। তার ভাষায়, ধ্বংসস্তূপ ও তাঁবু থেকে হাজারো মানুষ একসঙ্গে খেলা উপভোগ করেছেন, যা ছিল এক অনন্য দৃশ্য।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবনের পাশেই অস্থায়ী পর্দায় শত শত মানুষ একত্র হয়ে ম্যাচ দেখছেন। অনেক শিশুর মুখে ছিল মিশরের পতাকার রং। গোলের পর উল্লাসে মেতে ওঠেন দর্শকেরা। যুদ্ধের কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও ফুটবল তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি ও আনন্দের উপলক্ষ হয়ে ওঠে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD