শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মিশর, জয় উৎসর্গ ফিলিস্তিনের প্রতি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিশর। অস্ট্রেলিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর দলের প্রধান কোচ হোসাম হাসান এই স্মরণীয় জয় ফিলিস্তিনের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। তার আবেগঘন বার্তা যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ গোলে সমতা ছিল দুই দলের। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

ম্যাচের ১৩ মিনিটে ইমাম আশুরের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। এরপর অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে জয়সূচক পেনাল্টি থেকে গোল করেন হোসাম আবদেলমাগুইদ। অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সাউতার ও লুকাস হেরিংটন স্পটকিক থেকে ব্যর্থ হলে জয় নিশ্চিত হয় মিশরের।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবেগঘন বক্তব্য দেন কোচ হোসাম হাসান। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন এবং তাদের শহীদদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। এই জয় আমি মিশরের জনগণ এবং ফিলিস্তিনের সম্মানিত মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।’

জয়ের পর হাসান মাঠে মিশর ও ফিলিস্তিন—দুই দেশের পতাকা হাতে উদযাপন করেন। খেলোয়াড়রাও মাঠে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে ঐতিহাসিক সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নেন।

হাসানের বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গাজার বহু বাসিন্দা ও ফিলিস্তিনি সমর্থক মিশরের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। গাজার বাসিন্দা তামের নাহেদ এক্সে লেখেন, জীবনে প্রথমবার এত উত্তেজনা নিয়ে বিশ্বকাপ দেখেছেন তিনি। তার ভাষায়, ধ্বংসস্তূপ ও তাঁবু থেকে হাজারো মানুষ একসঙ্গে খেলা উপভোগ করেছেন, যা ছিল এক অনন্য দৃশ্য।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবনের পাশেই অস্থায়ী পর্দায় শত শত মানুষ একত্র হয়ে ম্যাচ দেখছেন। অনেক শিশুর মুখে ছিল মিশরের পতাকার রং। গোলের পর উল্লাসে মেতে ওঠেন দর্শকেরা। যুদ্ধের কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও ফুটবল তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি ও আনন্দের উপলক্ষ হয়ে ওঠে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD