শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সিসিটিভি বসাতে বরাদ্দ প্রায় ৭২ কোটি টাকা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

আসন্ন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিরাপদ ও স্বচ্ছ রাখতে দেশের মোট ভোটকেন্দ্রের অর্ধেকেরও বেশি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার। ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২১ হাজার ৯৪৬টি কেন্দ্রকে ‘অতিগুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করা হয়েছে।

এই সব কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

বুধবার রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্রের ভেতরের পরিবেশ ও আশপাশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্যই এই সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে সারাদেশে সিসিটিভি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে এবং অনেক জেলায় কার্যক্রম প্রায় শেষের পথে। কয়েকটি জেলায় শতভাগের কাছাকাছি ভোটকেন্দ্রে ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সরকারের লক্ষ্য হলো নির্বাচনের আগেই—সম্ভব হলে জানুয়ারি মাসের মধ্যেই—সব ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বিভিন্ন জেলায় উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছেন বলেও জানান উপ-প্রেস সচিব।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই উদ্যোগ ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা এবং যেকোনো অনিয়ম প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD