শিরোনাম :
বন্ধ পাটকল চালু করলে অর্থনীতিতে গতি আসবে;বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যকর মাধ্যম: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বাংলাদেশ-সেনেগাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব জাপানে ভূমিকম্পে কাঁপন, তিন মিটার সুনামির আশঙ্কা লেবাননে ধর্মীয় প্রতীক ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা, আইডিএফের তদন্ত শুরু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ক্যান্টন ফেয়ারের বাড়তি গুরুত্ব বৈশ্বিক চলচ্চিত্র সংযোগে বেইজিংয়ের অগ্রযাত্রা অনিশ্চিত বিশ্বে চীনের অর্থনীতি স্থিতির ভরসা

তাড়াইলে দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগর

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

এ.এম. উবায়েদ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় ১৬টি মন্দিরে পুরোদমে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি। ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিমা তৈরির কারিগররা। আশ্বিনের খরতাপে, শরতের শেষ মুহূর্তে ও হেমন্তের ভরা যৌবনে এ মহোৎসবকে জাঁকজমকপুর্ণ করে তুলতে উপজেলার মন্দিরগুলোতে চলছে নানা রকম প্রস্তুতি। আগামী ১৫ অক্টোবর ঘটপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দূর্গাপূজার এ মহোৎসব। এ বছর দেবী দুর্গা ঘোটকে (ঘোড়া) আগমন এবং ঘোটাকেই (ঘোড়া) গমন করবেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ৭ ইউনিয়নের সদর বাজারের কালীবাড়ীসহ বিভিন্ন দূর্গামন্দিরে স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মৃৎশিল্পীরা রাত-দিন প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এলাকার পাড়া-মহল্লায় এবং বাসা-বাড়ীতে পারিবারিক পূজামন্ডপে হরেক রকম প্রতিমা তৈরি করছেন কারিগররা। শারদীয় এ মহোৎসবের একেকটি আধুনিক প্রতিমা তৈরি করতে কেউ কেউ ব্যয় করছেন কয়েক লাখ টাকা।

হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, অশুভ শক্তি কিংবা অসুর শক্তি বিনাশ ঘটিয়ে শুভ সুর শক্তি প্রতিষ্ঠা করায় এ শারদীয় দূর্গাপূজার মূল দর্শন। সম্প্রীতি বজায় রাখতে এবং জনজীবনে সব ভেদাভেদ ভুলে সার্বজনীন এ মিলনমেলাই শারদীয় মহোৎসবের নামকরণ। এ অঞ্চলের স্থানীয় প্রশাসনসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকজনের সার্বিক সহযোগিতা ও আন্তরিকতায় আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সব ধরনের পূজা উৎযাপন করতে পারছি।

উপজেলা সদর বাজার কালিবাড়িতে প্রতিমা তৈরির কারিগররা জানান, আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা গিরে হরেক রকম ডিজাইন ও কারু কাজসহ প্রতিমা সমাপনী কাজ সারতে সময় লাগে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিনমাস। বছরের বেশির ভাগ সময় তারা বিভিন্ন প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকেন।

তারা আরো জানান, এ অঞ্চলের শারদীয় মহোৎসবে দূর্গাপ্রতিমা তৈরিতে খড়কুটা, পাট, সুতা, বাঁশ, রশি ও মাটিসহ বিভিন্ন কাঁচামাল দিয়ে দূর্গাপ্রতিমার কাটামো তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা ছোট প্রতিমায় ৩০০ টাকা থেকে সাত-আট’শ টাকা এবং বড় প্রতিমাগুলোয় ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন এবং ফাঁকে ফাঁকে চুক্তির মাধ্যমে নানা রকম সাইজের প্রতিমা বিক্রিও করেন।

তাড়াইল উপজেলা হিন্দু সম্প্রদায় নেতা ও দূর্গাপূজা কমিটির সভাপতি রবিন্দ্র সরকার জানান, আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজার এ মহোৎসব গতবারের চেয়ে এ বছর ব্যাপক জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করার জন্য সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। দূর্গাপ্রতিমা তৈরি অনেকটা ব্যয়বহুল হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারাবাহিকতায় দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে সচেষ্ট হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD