শিরোনাম :
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সংযোগ নয়, গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: আইসিটি মন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলা ও হিমালয়ের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় চীনের সঙ্গে কাজ করবে নেপাল উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় জয়-জয় উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান ভূমিধসপ্রবণ নেপালে আবহাওয়া ও স্যাটেলাইটভিত্তিক সহায়তা জোরদার করেছে চীন মিয়ামি বিমানবন্দরে রানওয়ে অতিক্রম করে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে ব্যাঘাত, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী রেখে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক ড. নাজমুজ্জামান ভূঁই রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় জয়-জয় উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন ৩ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তকে অনুষ্ঠিত হয়। চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী তিং সুই শিয়াং এতে অংশগ্রহণ করেন।

অধিবেশনে তিং সুই শিয়াং বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এর আগে দু’বার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সেসব ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে চীনের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর ব্যাখ্যা আন্তর্জাতিক সমাজ ইতিবাচকভাবে গ্রহণও করেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট পুতিন এ বছর একাধিক বার বৈঠক করেছেন, যা দু’দেশের নতুন যুগের সার্বিক কৌশলগত সমন্বিত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক ও দু’পক্ষের সার্বিক সহযোগিতা আরও উন্নয়নে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। চীন রাশিয়ার সাথে একযোগে দু’দেশের নেতৃবৃন্দের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে ইচ্ছুক।

অধিবেশনে তিনি ৪-দফা সুপারিশ পেশ করেন:

১. জয়-জয় ও সহনশীল উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া; উত্তর-পূর্ব চীন ও রাশিয়ার দূর প্রাচ্যের উন্নয়ন-কৌশলগুলোকে আরও সংযুক্ত করা; জনগণের চাহিদা পূরণ করা; বৈশিষ্ট্যময় শিল্প সুষ্ঠুভাবে উন্নয়ন করা; মানুষকে উন্নয়নের সুফল আরও ভোগ করতে দেওয়া;

২. ব্যবসায়ীদের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করা; শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক শর্ত সৃষ্টি করা;

৩. বন্ধুত্বপূর্ণ আদানপ্রদান জোরদার করা; সংস্কৃতি, পর্যটন, শিক্ষাসহ একাধিক খাতের বিনিময় ও সহযোগিতা উন্নত করা;

৪. আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা; জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা যৌথভাবে রক্ষা করা।

সূত্র: আকাশ -আলিম- রুবি, চায়না মিডিয়া গ্রুপ ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD