শিরোনাম :
প্রথম ফুটবলার হিসেবে স্পেনের ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ সম্মাননা নিচ্ছেন মেসি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় সম্মতি পুতিনের ভবিষ্যতে বিক্ষোভ না করার মুচলেকায় ৭ দিন পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গে চীন-রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মেলন অর্থনৈতিক গতিশীলতা ও পর্যটন প্রসারে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুফল পাচ্ছে চীন সাত দশকের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যে চীনের কেন্দ্রীয় সমাজতন্ত্র ইনস্টিটিউট আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে নতুন মাত্রা যোগ করল ‘আফ্রিকায় উচু অপেরা’ ২২৭ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘চামপি’: তাইওয়ানে জারি সতর্কতা, ফ্লাইট বাতিল ও সামরিক মহড়া ব্যাহত ‘সমাজের নিকৃষ্টরাই এমপি-মন্ত্রী হন, দুর্নীতিবাজরা হন নেতা’: তজুমদ্দিনে ক্ষোভ প্রকাশ স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের জলবায়ুর অভিঘাতে ২০৫০ সালের মধ্যে বাস্তুচ্যুত হতে পারে বাংলাদেশের ১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ: এডিবি

চীন-মিশর অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে ২০টির বেশি সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বুধবার সকালে কায়রোর ‘প্যালেস অব দ্য সান’-এ বৈঠক করেন।

বৈঠককালে সি চিন পিং উল্লেখ করেন যে, ১৯৫৬ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম আরব ও আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে মিশর অন্যতম ছিল। উভয় দেশের পূর্ববর্তী প্রজন্মের নেতারা জাতীয় স্বাধীনতার সংগ্রামে এবং সাম্রাজ্যবাদ ও ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে নিজ নিজ জনগণকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা এক অটুট ও গভীর বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপন করে। ৭০ বছরের নানা উত্থান-পতন চীন-মিশর সম্পর্কের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলোকে লালন করেছে এবং তার সাক্ষী হয়েছে: ‘সমতা ও পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শিক্ষা, পারস্পরিক সহায়তা ও উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতা।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের যৌথ নির্দেশনায়, চীন-মিশর সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব এক উল্লম্ফনমূলক উন্নয়ন অর্জন করেছে। উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবন, জনগণের কল্যাণ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের অভিন্ন আদর্শ ও কৌশলগত সমন্বয় রয়েছে। এক জটিল ও অস্থির আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে, উভয় দেশের উচিত একে অপরকে সমর্থন করা, সহযোগিতা আরও গভীর করা এবং চীন-মিশরের একটি অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গঠনে ক্রমাগত অগ্রগতি সাধন করা।

দুই রাষ্ট্রপ্রধান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন। সি চিন পিং উল্লেখ করেন যে, চীন আঞ্চলিক দেশগুলোকে সুপ্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে, একটি অভিন্ন, ব্যাপক, সহযোগিতামূলক ও টেকসই নিরাপত্তা ধারণা সমুন্নত রাখতে এবং মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামো নির্মাণে সমর্থন করে। এ প্রসঙ্গে তিনি চারটি উদ্যোগ পেশ করেন।

আলোচনার পর, দুই রাষ্ট্রপ্রধান যৌথভাবে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খল সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন। উভয় পক্ষ গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এবং আরব প্রজাতন্ত্র মিশরের মধ্যে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে। সফরকালে, উভয় পক্ষ ডিজিটাল অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং পরিবহনের মতো ক্ষেত্রে ২০টিরও বেশি সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর করে।

সূত্র: লিলি,তৌহিদ,রুবি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD